ছবির দিকে তাকিয়ে সহসা বিদ্যুৎ ঝিলিকের মত মনে হয় পরাধীন ভারত মাতার
সুমের অঞ্চলে বারেবারেই প্রভাবিত হল রক্ত স্রোতের ইতিহাস। যা চললো হালের সাদ্দাম
ছ’হাজার বছরের দীর্ঘ যাত্রায় সত্যের খোঁজ, শিশু-ভাবনা বাঁধা যেন একই যোগসূত্রে
হাতের আঙুলে টিপে বা তালুতে বেলে মাটি কে নিজের মতো গড়ন দেন
মানুষ মারা গেলে সেই মৃতের বাড়িতে যাদব পটকার এসে উপস্থিত হয়। তাই
হালফিল মেলার মুখ ঘুরছে বৃদ্ধির দিকে। শুধু আর্থিক নয়, শারীরিক, মানসিক এবং
বাংলা ভাষার কণ্ঠ রোধ আর অন্যদিকে স্বাধীনতার নতুন স্বপ্ন। এরই মাঝে পোষ্টারটি
গ্রামবাংলার শিল্পী কথনে আছে- শিল্পীদের পুতুল বানাতে বসে পাঁচ ভুতের কারবার করতে
নতুন গ্রামের কাঠের পুতুলে হর-পার্বতীর যুগল মূর্তি। বৈষ্ণব তীর্থে দেখা গেল শিব
নন্দলালের করা আবদুল গফ্ফর খানের এই লিনোকাট মাধ্যমের অনবদ্য প্রতিকৃতিটি ঠায় দেখতে
নব্বইয়ের দশকে আঁকা ওয়াচ ডগ ছবিটি এক ভিন্ন লালু প্রাসাদ-কে চেনায়। ছবিতে
লোহার হাঁড়ি-কড়াই কিংবা ধানকাটার কাস্তে বানানো কামার সম্প্রদায় বর্গীদের হাত থেকে দেশকে