
‘ভাড়া বেড়েছে ৭০ শতাংশ নজর নেই সুরক্ষায়’
গাফিলতি না যান্ত্রিক গোলযোগ, পরপর রেল দুর্ঘটনার আসল কারণটি কী? শনিবার পুরী–হরিদ্বার কলিঙ্গ–উৎকল এক্সপ্রেস দুর্ঘটনার পর এই প্রশ্নই উঠে আসছে। কংগ্রেস অবশ্য রেলের দুরাবস্থার জন্য সুরেশ প্রভুকেই দায়ী করেছে । গত তিন বছরে দেশে ২৭টি ভয়ঙ্কর রকমের ট্রেন দুর্ঘটনা ঘটেছে। রেলমন্ত্রীকেই তার দায় নিতে হবে বলে দাবি তুলেছে কংগ্রেস। কংগ্রেসের অভিযোগ বুলেট ট্রেনের স্বপ্নে বিভোর সরকার রেলের সাধারণ যাত্রীদের দিকে নজর দিচ্ছে না। যাত্রী সুরক্ষার অজুহাতে ক্ষমতায় এসেই রেলের ভাড়া ৭০ শতাংশ বাড়িয়েছে এনডিএ সরকার। কিন্তু একের পর এক দুর্ঘটনায় যাত্রীরা কি আদৌ সুরক্ষিত বোধ করছেন? প্রশ্ন তুলেছেন দলের মুখপাত্র রণদীপ সুরজেওয়ালা। লাইনে সারাইয়ের কাজ চলাকালীন শনিবার উত্তরপ্রদেশের মুজফফরনগরের কাছে খতৌলিতে মুজফ্ফরনগরে কলিঙ্গ–উৎকল এক্সপ্রেসের ১৪টি কামরা লাইনচ্যুত হয়ে যায়। তাতে ২৭ জন যাত্রীর মৃত্যু হয়েছে।
সুরজেওয়ালার দাবি, ‘২০১৪ সালের মে মাস থেকে ২৭টি বড় ধরনের ট্রেন দুর্ঘটনার সাক্ষী থেকেছে দেশ। তাতে প্রাণ হারিয়েছেন ২৫৯ জন যাত্রী। রেলমন্ত্রীকে তাঁদের মৃত্যুর দায় নিতে হবে। আর বুলেট ট্রেনে গিয়ে কাজ নেই। মোদি সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকেই রেলের এই দুরাবস্থা।’ ট্রেন দুর্ঘটনার পিছনে নাশকতার ছক নিয়ে দেশ জুড়ে জল্পনা শুরু হয়েছে। তারও তীব্র সমালোচনা করেছেন কংগ্রেস নেতা। তাঁর মতে, প্রতিবার দুর্ঘটনার পরই নতুন নতুন চক্রান্তের তথ্য তুলে ধরে মোদি সরকার। দুর্ঘটনার দায় এড়াতে মানুষকে বিভ্রান্ত করা হয়।
