
এই সীমান্ত দিয়ে ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের যেমন বাণিজ্য হয়, তেমনই ভূটানের সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্যও হয় এই পথ দিয়ে
কোচবিহার জেলার চ্যাংরাবান্ধা সীমান্তে তৈরি হতে চলেছে আন্তর্জাতিক মানের একটি যুব আবাস। উদ্যোগে রাজ্যের ক্রীড়া ও যুব কল্যাণ দপ্তর।
চ্যাংরাবান্ধাতে রয়েছে বাংলাদেশ সীমান্ত। সেই সীমান্ত দিয়ে ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের যেমন বাণিজ্য হয়, তেমনই ভূটানের সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্যও হয় এখান দিয়ে। পাসপোর্ট নিয়ে দু’দেশের মানুষও প্রতিদিন ওই সীমান্ত দিয়ে যাতায়াত করেন। কিন্তু সেখানে রাত্রিবাসের বিশেষ কোনও ব্যবস্থা না থাকায় জলপাইগুড়ি বা শিলিগুড়িতে এসে হোটেল বা লজের খোঁজ করতে হয় সাধারণ মানুষকে। এই সমস্যা নিরসনের জন্যেই স্থানীয় বাসিন্দারা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কোচবিহার সফরের সময়ে তাঁর নজরে আনেন বিষয়টি। সম্প্রতি কলকাতা থেকে রাজ্যের যুব কল্যাণ দপ্তরের একটি প্রতিনিধি দল সেই সীমান্ত ঘুরে যান ও সীমান্তের কোথায় সেই যুব আবাস তৈরি হবে, সেই সমীক্ষাও করেন।
রাজ্য সরকারের এই উদ্যোগে চ্যাংরাবান্ধা সীমান্ত এলাকার বাসিন্দাদের মধ্যে তৈরি হয়েছে খুশির বাতাবরণ। তাঁরা চাইছেন, দ্রুত শুরু হোক এর কাজ।
