তাজা খেজুর আর টাটকা মাছে চন্দনপিঁড়ি টানছে আমুদে বাঙালিকে

রাজ্য মৎস উন্নয়ন নিগমের ব্যবস্থাপনায় নতুন পর্যটন কেন্দ্র গড়ে উঠছে সপ্তমুখী নদীর মোহনায়

অথৈ জলের ঢেউ দেখতে দেখতে টাটকা খেজুরের রসে ব্রেকফাস্ট। তাজা পমফ্রেট কিংবা ভেটকি দিয়ে লাঞ্চ আর ডিনার। বিলাসবহুল নৌকো চেপে বাংলাদেশ সীমান্তে একবার ঘুরে আসা। বিরল সৌভাগ্য থাকলে পাশের কোনো জঙ্গল থেকে হয়তো বা চোখে পড়ল হরিণ কিংবা বাঘ। খুব বেশি দূরে নয়, দক্ষিণ ২৪ পরগনার চন্দনপিঁড়িতে এরকমই সব অভিজ্ঞতার সুযোগ পেতে পারেন এবার আপনিও।

বকখালি, ফ্রেজারগঞ্জ, হেনরিজ আইল্যান্ড, সাগরদ্বীপ পেরিয়ে সপ্তমুখী নদীর মোহনায় চন্দনপিঁড়িতে গড়ে উঠতে চলেছে নতুন এক পর্যটনকেন্দ্র। ব্যবস্থাপনায় রাজ্য মৎস উন্নয়ন নিগম। এখনও পর্যন্ত ওই জায়গাতে কোনো সরকারি বা বেসরকারি পর্যটক আবাস তৈরি হয়নি। সেখানে মৎস উন্নয়ন নিগমের নিজস্ব জমির মধ্যে এক হেক্টর এলাকা নিয়ে  চালু করা হবে নতুন পর্যটনকেন্দ্র। বাকি জমিতে নিগম শুরু করবে মৎস উন্নয়ন প্রকল্প, যেখানে পার্শে, ভাঙন, চিংড়ি, ভেটকির মতো নোনা জলের মাছ চাষ করা হবে। পর্যটকদের জন্য থাকছে ওই সব মাছ টাটকা চেখে দেখার বন্দোবস্তও। আমুদে লোকেদের জন্য নতুন স্বাদের এই পর্যটনকেন্দ্র যথেষ্ট উপভোগ্য হবে বলেই মনে করছেন ভ্রমণপিয়াসু মহল।

আপাতত চারটে কটেজ দিয়ে শুরু হতে চলেছে এই পর্যটন কেন্দ্রটি। ভবিষ্যতে চাহিদা বাড়লে কটেজের সংখ্যাও বাড়তে পারে। কোনো এক উইকএন্ডে সময় করে সপরিবার অথবা সবান্ধব একবার হানা দিতেই পারেন চন্দনপিঁড়িতে।

Developed by DXDasia