আজ কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৬৩তম জন্মদিবস – পড়ুন সারাদিনের বাছাই খবর

দিনযাপনে বাছাই চার

আজ কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৬৩তম জন্মদিবস

ভারতবর্ষের প্রথম ‘আধুনিক বিশ্ববিদ্যালয়’-এর তকমা পেয়েছিল তিলোত্তমার ঐতিহ্যবাহী কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়। ১৮৫৭ সালের ২৪ জানুয়ারি ভারতের গভর্নর জেনারেল লর্ড ক্যানিং ‘কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় আইন’-এ সই করেন। এই কারণে আজকের দিনটিকেই বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাদিবস হিসাবে গণ্য করা হয়। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় আইনে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাকালীন কর্মসূচি সম্পর্কে লেখা ছিল-
“…it has been determined to establish a University of Calcutta for the purpose of ascertaining by examination for the persons who have acquired proficiency in different branches of Literature, Science and Art and the rewarding them by academical degrees as evidence of their respective attainment.”
কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম আচার্য ও উপাচার্য হলেন যথাক্রমে গভর্নর জেনারেল লর্ড ক্যানিং ও সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি স্যার জেমস উইলিয়াম কোলভিল। ১৮৫৮ সালে যদুনাথ বসু ও বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম স্নাতক হন। ১৮৯০ সালে বিচারপতি গুরুদাস বন্দ্যোপাধ্যায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম ভারতীয় উপাচার্য হন। এই বিশ্ববিদ্যালয়েরই প্রাক্তন ছাত্র বেনিমাধব বড়ুয়া, যিনি এশিয়ার প্রথম ডি.লিট প্রাপক। আজ কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৬৩তম জন্মদিন।

রাজ্যের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ১ কোটি টাকা দান করেছেন প্রাক্তন অধ্যাপিকা

বাংলায় গুণী শিক্ষকের অভাব নেই। তবে, শিক্ষার জন্য ১ কোটি টাকা দান করেছেন, এমন দ্বিতীয় কোনো শিক্ষককে আপাতত খুঁজে পাওয়া মুশকিল। ৭২ বছর বয়সী অবসরপ্রাপ্ত সংস্কৃতের অধ্যাপিকা চিত্রলেখা মল্লিক সেই বিরল কাজটি করে দেখিয়েছেন। ২০০২ সাল থেকে তিনি শিক্ষার জন্য অর্থ দান করতে শুরু করেন। এখনও পর্যন্ত নানা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ১ কোটি টাকা হাসিমুখে তুলে দিয়েছেন তিনি। তাঁর গবেষণার পথপ্রদর্শক পণ্ডিত বিধুভূষণ ভট্টাচার্যের স্মৃতির উদ্দেশ্যে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে দান করেছেন ৫৬ লক্ষ টাকা। মাথাভাঙা কলেজ, ভিক্টোরিয়া ইনস্টিটিউশনের মতো একাধিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অধ্যাপনা করেছেন তিনি। আর্থিকভাবে পিছিয়ে পড়া গবেষক ও পড়ুয়াদের সাহায্য করা জন্য অর্থ দান করে তিনি বাগুইয়াটির এক সাধারণ ফ্ল্যাটে বসবাস করেন।

সবজি উৎপাদনে দেশের শীর্ষে পশ্চিমবঙ্গ

সারা দেশে সবজি উৎপাদক রাজ্যের তালিকায় এক নম্বরে উঠে এসেছে পশ্চিমবঙ্গে। কেন্দ্রীয় কৃষি মন্ত্রক থেকে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ২০১৮-১৯ সালে আমাদের রাজ্য সবজির ফলনে উত্তরপ্রদেশকে টেক্কা দিয়েছে। সেই বছর পশ্চিমবঙ্গে সবজির উৎপাদিত হয়েছে ২৯.৫৫ মিলিয়ন টন। তার আগের বছরের উৎপাদন ছিল ২৭.৭০ মিলিটন টন। সেই তুলনায় উত্তরপ্রদেশের বার্ষিক সবজি উৎপাদন কমে গিয়েছে। ২০১৭-১৮ সালে সেই রাজ্যে ২৮.৩২ মিলিয়ন টন সবজি ফলেছিল, পরের বছর যা কমে গিয়ে ২৭.৭১ মিলিয়নে এসে দাঁড়িয়েছে। গোটা দেশের সমস্ত সবজির মধ্যে ১৫.৯ শতাংশই চাষ করা হয় পশ্চিমবঙ্গে। সম্প্রতি নয়া দিল্লিতে কেন্দ্রীয় কৃষি মন্ত্রক আয়োজিত একটি সম্মেলনে এই তথ্যগুলি প্রকাশিত হয়েছে।

আপেলের জন্য আর কাশ্মীর নয়, সাগরদিঘির মাটিতেই হচ্ছে ১৪০০ আপেল চারাগাছের চাষ

মুর্শিদাবাদ জেলা প্রশাসনের ‘পাইলট প্রজেক্ট’। এই প্রথমবার সাগরদিঘিতে তিন হেক্টর জমিতে প্রায় ১৪০০ আপেল চারাগাছের চাষ শুরু হয়েছে। দুই বছরের মধ্যেই গাছে ফল আসবে বলে আশাবাদী চাষিরা। যে সমস্ত শ্রমিক কাশ্মীরে কাজ করতে যেতেন, তাঁদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। এই প্রজাতির পূর্ণবয়স্ক গাছ ৪৮ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত তাপমাত্রা সহ্য করতে পারে। ১০০ দিনের কাজ প্রকল্পে কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেন কাশ্মীর থেকে আপেল চাষের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন শ্রমিকরা। সাধারণত সমতলে বছরে ২০০ ঘণ্টা ১০ ডিগ্রির নিচে তাপমাত্রা থাকলেই গাছে ফল আসবে। উপত্যকায় ১০০০ থেকে ১২০০ ঘণ্টা শূন্য বা হিমাঙ্কের নিচে তাপমাত্রার দরকার হয়। গুণমানের কিছুটা ফারাক হতে পারে, তবে ফলন নিয়ে কোনও অনিশ্চয়তা নেই বলে জানানো হয় জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে।
ছবি সৌজন্যে- বর্তমান।
Developed by DXDasia