শিল্পকর্ম আপাতভাবে জড় মনে হলেও তার সচল অভিব্যক্তি মানুষকে নাড়িয়ে দেওয়ার ক্ষমতা রাখে। সেই হিন্দোল তৈরির করার দায়িত্ব শিল্পীর; বাংলার বুকে বহু বছর হলো যে দায়িত্ব পালন করে চলেছেন ভাস্কর অলকানন্দা সেনগুপ্ত। তাঁর কাজের শুরু রবীন্দ্র ভারতী আর্ট কলেজ থেকে। ১৯৯৫ সালে সেখান থেকে পাশ করেন। তারপর একটি স্কুলের সঙ্গে প্রায় ২০ বছর যুক্ত থেকেছেন। সেখান থেকে অবসর গ্রহণের পর নতুন করে কাজ শুরু করেন। ভাস্কর্যে ইসরায়েল-প্যালেস্তাইনে যুদ্ধপীড়িত মহিলা ও শিশুদের যন্ত্রণাক্লিষ্ট চেহারা ফুটিয়ে তোলা হোক বা প্রান্তিক মেয়েদের নিজের ছত্রছায়ায় এনে প্রশিক্ষণ দেওয়া হোক – শিল্পী অলকানন্দা সেনগুপ্ত ও তাঁর ছাত্রীরা এই কাজগুলিতে নারীমনের জগৎ এবং পুরুষশাসিত সমাজের বিপরীতে দাঁড়িয়ে মেয়েদের যাবতীয় অধিকার ও অর্জনের কথা বলে চলেছেন। পোড়ামাটি ও নানান ধাতুর মিশ্রণে হাতে গড়া তাঁর ভাস্কর্যগুলি হয়ে ওঠে মানবজাতির আনন্দ ও বেদনার বহিঃপ্রকাশ। প্রতিকূলতার বিরুদ্ধে লড়াই-ই এই ভাস্কর্যগুলির প্রেরণা।
বঙ্গদর্শনের পডকাস্টে এবার তিনিই ধারাবাহিকভাবে বলবেন সেসব ভাস্কর্য তৈরি হবার গল্প। আজকের বিষয়: ভাস্কর্যে জনজীবনের জবানবন্দি। বলছেন: শিল্পী অলকানন্দা সেনগুপ্ত। বঙ্গদর্শনের পডকাস্ট প্রতি সোম, বুধ, শুক্র সন্ধে ৬টায় দেখা/শোনা যাচ্ছে ইউটিউব ও ফেসবুকে। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল। ক্লিক করুন এখানে।
