
ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছেন জেলাশাসকও
পাহাড়ে বনধ চলতে থাকায় সাধারণ মানুষ বেকায়দায়। পর্যটকশূন্য হয়ে পড়েছে গোটা পাহাড়। অভিযোগ, সাধারণ পাহাড়বাসী বেকায়দায় পড়লেও, নেতাদের কাছ থেকে গাড়ি চলাচলের পাশ জোগাড় করেছে মোর্চার ভাড়াটে কিছু বাহিনী। সেই পাশ নিয়ে তারা রাতের অন্ধকারে শিলিগুড়ি সমতলে নেমে পড়ছে। রাতেই তারা শিলিগুড়ি সমতল থেকে চাল ডাল কিনে পৌঁছচ্ছে পাহাড়ে। আর নিজেদের খাবার সঞ্চিত করে অতিরিক্ত যা-কিছু, পাঁচগুণ দামে বিক্রি করছে সাধারণ মানুষের কাছে। এভাবে বনধের নামে পাহাড়ে কিছু লোক ফুলেফেঁপে উঠছে বলে অভিযোগ। দার্জিলিং-এর জেলাশাসক জয়শি দাসগুপ্ত এই অভিযোগ স্বীকার করেন। খোঁজখবর নিয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন জেলাশাসক। যদিও মোর্চার পক্ষ থেকে অস্বীকার করা হয়েছে এই অভিযোগ।
এদিকে জেলা প্রশাসন শিলিগুড়ি থেকে শাকসবজি পাহাড়ে নিয়ে যাচ্ছে পুলিশি পাহারায়। সোমবার বনধ শিথিল হওয়ায় অনেক অতিরিক্ত খাবার পাহাড়ে গিয়েছে। পাশাপাশি, মুসলিম সম্প্রদায়ও স্বাভাবিকভাবেই পালন করেছেন ঈদ।
