আজ মানুষের ভোগান্তির প্রথম পঞ্চাশ দিন

সরকার আর্থিক পরীক্ষা-নিরীক্ষায় পাশ না ফেল

দীর্ঘ কিউয়ের পঞ্চাশদিন। আত্মহননের পঞ্চাশদিন। ছাটাইয়ের পঞ্চাশদিন। দেশের অর্থনীতির থমকে দাঁড়ানোর পঞ্চাশদিন। পঞ্চাশদিন পর যাদুমন্ত্রে সব ভাল হয়ে যাবে মিত্রোওঁওঁওঁ।

দেশে কোথাও কোন অস্থিরতা নেই। কাশ্মীরীরা ঠাণ্ডা। সিমলায় বরফ পড়ছে। মেলার মরশুম। বড়দিন। নয়া সাল মুবারক। পরিবার পরিজন নিয়ে চলে যান পাহাড়ে, সমুদ্রে, জঙ্গলে। সাথে রাখুন চার পাঁচটা এটিএম কার্ড। স্বামী-স্ত্রী’র দু’টি অ্যাকাউন্ট থেকে চব্বিশ চব্বিশ আটচল্লিশ হাজার। ভাল থাকুন। আর মাঝে মাঝে গান করুন, সারে জহাঁ সে আচ্ছা, হিন্দুস্থাঁ হমারা হমারা, হাম বুলবুলে হে উসকি….

যারা সমাজতাত্ত্বিক আলোচনা ভালবাসেন, ভাবতে ভালবাসেন ভারতবর্ষ ঠিক কি ভাবে এগিয়ে চলেছে, ধনতন্ত্র কতটা বিকশিত হল, সমাজতন্ত্র কতটা পথ গেলে আসবে, তাদের চিন্তায় একফোঁটা চোনা দিয়ে বলতে চাই, আমাদের ধনতন্ত্রও আসেনি, যা আছে, যা ছিল, সেটা হল ভৃত্যতন্ত্র। এদেশ পাঠান মুঘল আমলে শাসকের বশংবদ ভৃত্যদের দেশ ছিল, ব্রিটিশ শাসনে ভৃত্যদের দেশ ছিল, এখনো ভৃত্যদের দেশ আছে। প্রভু যা করেন ভৃত্য তাতেই খুশী, প্রভু মারেন, ভৃত্য মনে করে তার সেটাই প্রাপ্য, প্রভু খেতে দেন এঁটো বাসি, ভৃত্য বিগলিত। মোল্লা নাসিরুদ্দিনের মত সে, যতই বাদশা তাকে, 'দূর হ কুকুর' বলে গাল দিক, প্রভু তো তাকেই বলেছে, এমন সৌভাগ্য এগাঁয়ের আর কজনের হয়েছে শুনি!

বিমুদ্রায়ণের আঁচ আমার লাগেনি, আমি যে সভারিন, সোশালিস্ট, সেক্যুলার দেশে বাস করি সেদেশের নাগরিকদের এই পঞ্চাশদিনে না লাগারই কথা। কলম পিষে আয় আমার। মজদুর নই, ছোট শিল্প চালাই না, প্রমোটারি করি না, ডাক্তার নই, উকিল নই, চাইলেও কেউ ঘুষ দেবে না আমাকে। কাজেই এটিমের লাইনে দাঁড়িয়ে রাজাউজীর মেরে ভাড়ে চা খেয়ে কয়েকবার টাকা তোলার কষ্ট করতে হয়েছে, এখানেই শুরু, এখানেই শেষ। বরং আমায় স্বপ্ন দেখায় কর্পোরেট ইন্ডিয়া। জগদীশ ভগবতী বলেছেন বিমুদ্রায়িত ভারতবর্ষে কর আদায় হবে আগের চেয়ে দুই ট্রিলিয়ন বেশী (ট্রিলিয়ন! ট্রিলিয়ন! বললেই বুকের ভেতরটা কেমন করে ওঠে একটা)। সরকার উন্নয়নের বন্যা আনবে। ঝাঁ চকচকে রাস্তা, মল, কাফে, বিশাল বিশাল প্রাসাদোপম বাড়ি, বিনি পয়সায় চিকিৎসা, কেতাদুরস্ত পশ্চিমী পোষাকে হেঁটে চলে বেড়ান সব যুবক যুবতী, কোন আবর্জনা নেই, ভিকিরি নেই, ফুটপাথে হকার নেই, ভাঙ্গা বাড়িঘরদোর নেই, স্বচ্ছ ভারত, আচ্ছে ভারত, আচ্ছে দিন।

দিবাস্বপ্নটা বাড়াবাড়ি হয়ে গেল। আসলে দিবাস্বপ্ন, ফ্রয়েড সাহেব বলেন, খুব স্বাভাবিক একটা প্রক্রিয়া, তবে কারও কারও জন্য সেটা বাস্তবতা এড়িয়ে যাওয়া, আর তেজস্বী পুরুষের জন্য  দিবাস্বপ্ন বাস্তব লক্ষ্যমাত্রা,  রূপান্তরিত করাটা সময়ের অপেক্ষা। কিন্তু মনোবিদ্যার কথা যখন এসেই পড়ল আরও দু’টো থিওরি বলাও দরকার। আর্নেস্ট বোরম্যান বলেছিলেন- কিভাবে একটা গণদিবাস্বপ্ন সংঘের জন্ম দেয়, বিংশ শতাব্দীর রাজনীতি এই সংঘ আর গণদিবাস্বপ্নের হাতে চালিত হয়েছে গোটা ইউরোপে। ড্যানিং ক্রুগার এফেক্টে আমরা সবাই অল্পবিস্তর কখনো না কখনো ভুগলেও বাস্তবতার কাজে আমরা হার মানি, মেনে নিই মহান কিছু করে দেখাবার বিপুল ক্ষমতা নিয়ে জন্মাইনি আমরা, কিন্তু নার্সিসিস্ট, মেগালোম্যানিয়াক রাজনীতিবিদ নিজের মহত্ব জারি করার জন্য ভয়ানক সোশ্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং যখন আমাদের ওপর চাপিয়ে দেয়, যা হয় সেটা ভয়াবহ সামাজিক ভূমিকম্প। মানবেতিহাস খুব একটা উল্লম্ফন নিতে পারে না। তাই এযাবতকাল কোন মহতী উল্লম্ফনের প্রয়াসই মানুষের জন্য ভাল হয়ে ওঠেনি।

মূল আলোচনায় ফিরে আসি। বিমুদ্রায়ণে যদি ভারতীয় অর্থনীতির কোথাও বিন্দুমাত্র আঁচ না লেগে থাকে তবে এ কান্ডটার কোন প্রয়োজনই ছিল না। কিন্তু যেখানে গোলাগুলো গিয়ে পড়েছে সেদেশ আমার ভারতবর্ষ না। কাজেই আমি তা দেখতে পাচ্ছি না। আমি আপাত সান্ত্বনায় আছি যে ঘুষখোর আমলা, রাজনীতিবিদ তার টাকা পোড়াচ্ছে, কর ফাঁকি দেওয়া ব্যবসাদার, প্রমোটার, ট্রান্সপোর্ট কোম্পানির মালিক ছুটে বেড়াচ্ছে কি করে ৫০০, ১০০০ টাকার নোট ৪০% কমিশনে বেচে নতুন গোলাপি টাকা কেনা যায়। ভারতবর্ষের দারিদ্র নিয়ে বিপুল অধ্যয়ন করেছেন যিনি, ফরাসী মেয়ে এস্থার ডাফলো বলছেন, ক্ষতির পরিমাণ, ক্ষতির কেন্দ্র আর পরিধি আমরা কোনদিনও জানতে পারব কিনা সন্দেহ আছে। সরকারের কাছে কেন্দ্রীয় ভাবে এইসব তথ্য পৌছবে না। পৌঁছবার কোন পন্থা ভারত সরকারের আদৌ নেই। আমাদের প্রেসিডেন্সীর মাস্টারমশাই শ্রদ্ধেয় দীপক বন্দ্যোপাধ্যায়ের পুত্রবধূ শ্রীমতী ডাফলো বিদেশিনী হয়েও যা বুঝেছেন সেটা আমরা বুঝিনি, মাণিক বিভূতিভূষণ শরৎচন্দ্র পড়ে বুঝিনি, প্রেমচাঁদ সতীনাথ মহাশ্বেতা দেবী  পড়ে বুঝিনি, আমরা বুঝবও না।

ভারতের শতকরা ৯০% শ্রমিক অসংগঠিত ক্ষেত্রে কাজ করে, এদের আয় অনিয়মিত, নিরাপত্তা নেই, বীমা নেই, ভবিষ্যনিধি নেই। শহর শহরতলীর নিরাপদ আশ্রয় থেকে চার্টার্ড বাসে কর্মস্থলে যায় না এরা, দেশ গাঁ থেকে পাঁচশ, হাজার, মাইল দূরে ভিনরাজ্যে কাজ করতে যায়। দশজন অসংগঠিত  শ্রমিকের অন্তত দুজন এমন পরিযায়ী শ্রমিক। শ্রমিক ট্রেন দুর্ঘটনা হলে তবেই আমাদের নজরে আসে যে এত মানুষ দেশের একপ্রান্ত থেকে আরেক প্রান্তে যায় কাজের খোঁজে।

সেসব কাজ এখন প্রায় বন্ধ। অর্থনীতি সংক্রান্ত খবরের কাগজের পাতায় দেখছি সারাদেশ জুড়ে কাপড়ের মিল বন্ধ,ভোজ্যতেলের মিল বন্ধ, ছোটখাটো কলকারখানা বন্ধ, নির্মাণ বন্ধ, গাড়ির চাহিদা নিম্নগামী, চাষ চলছে ঋণের অভাবে কোনমতে, গতবছরের তুলনায় এবার মান্ডিতে পাইকারি দাম ৩৫-৫০% কম পেয়াজের, ডালের, সব্জির। এর একটা ভয়ানক প্রভাব ইতিমধ্যে পড়ে গেছে অসংগঠিত কর্মসংস্থানে। চাহিদা কমে, চাষ কমে আগামী দিনে আরও পড়বে। আমরা প্রথমে বুঝতে পারব না। জাতীয় আয়ের মাত্র ১৫% আসে কৃষি থেকে। ১০% কৃষি উৎপাদন কমে গেলে জাতীয় আয়ের ১.৫% কমবে মাত্র। কিন্তু জাতীয় আয়ের গোটা হিসেব যেমন গোলমেলে, তেমনি এখন যা দিয়ে আয়বৃদ্ধির গর্ব করি আমরা সেই আধুনিক পরিষেবা খেয়ে মানুষ বাঁচে না। ১০% কৃষি উৎপাদন কমে গেলে গ্রামে হাহাকার শুরু হয়ে যাবে। আমরা শহরে বসে কিছুই বুঝতে পারব না। যেভাবে বন্ধ কলকারখানা, ব্যবসার কাজ হারানো শ্রমিকদের আমরা দেখতেই পাচ্ছি না পঞ্চাশ দিনের এই মহান ধর্মযুদ্ধে।

কালো টাকার বিরুদ্ধে সরকারের যুদ্ধকে যারা এক স্বাভাবিক, সংগত রাষ্ট্রীয় দায়িত্বপালন বলে মেনে নিয়ে চুপচাপ বসে আছেন, তাদের অনির্বচনীয় সারল্য দেখে আমার হাসি পায়। এই মহান শ্রদ্ধেয় নাগরিকদের হাতে দেশের ভবিষ্যৎ। এরাই শিক্ষিত শহুরে নাগরিক। এরা এক মহান ভারতবর্ষ গড়ে উঠুক চান। আর সেটা চান প্রাক ফরাসী বিপ্লব গ্রাম্য ফেতোকাত্তিকের বিশ্বদর্শন মস্তিষ্কে বহন করে! রুশো এই মাত্রার শিক্ষিত ভারতীয় নাগরিক দেখলে নিশ্চিত ঔপনিবেশিকতাবাদের সমর্থক হয়ে যেতেন।

আধুনিক করব্যবস্থার পূর্বসূরি  রাজতন্ত্রের করব্যবস্থা। রাজতন্ত্রের নাগরিকসমাজ গঠন আদিম কৌমসমাজ থেকে ভেঙ্গে বেড়িয়ে আসা, ব্যক্তিকে দমন করে জুথজীবনের ওপর এককের, ক্ষমতাবানের শাসন প্রতিষ্ঠার এক কাহিনি। যতই সামাজিক চুক্তির কথা বলে বৈধতাদান করা হোক না কেন যে কোন শাসনব্যবস্থাকে, আসলে সেটা ক্ষমতাবানের সাথে ক্ষমতাহীনের চুক্তি। এই অভিজ্ঞতার নিরিখে করভার যতটা কল্যাণরাষ্ট্রের কল্যাণে তারচেয়ে বেশী রাষ্ট্রব্যবস্থার নিজের কল্যাণে। চীনে দীর্ঘদিন সম্রাট আর ব্যবসায়ী গোষ্ঠীর মধ্যে কর দ্বন্দ্বের একটা কারণ হয়েছিল, ইংল্যান্ড আর ফ্রান্সে রাজতন্ত্রের সাথে আধুনিক বুর্জোয়ার সংঘর্ষের কেন্দ্র ছিল করব্যবস্থা, যে দ্বন্দ্ব থেকে ফিজিওক্র্যােট আর মার্কেন্টাইল গোষ্ঠীর হাত ধরে উঠে আসে 'লাসে ফার' অর্থনীতির কথা, মুক্ত বাণিজ্যের গল্প, অর্থনৈতিক উদারনীতিবাদ। ইতিহাসের পড়ুয়ারা আমার দোষ ধরতে পারেন, আমার বলা উদাহরণ সবই রাজতন্ত্রের সাথে উদীয়মান বুর্জোয়াশ্রেণীর সংগ্রামের গল্প, রাজার অর্থহীন যুদ্ধ আর রক্ষিতা পোষার বিরুদ্ধে উৎপাদকশ্রেণীর ক্ষোভ। কিন্তু আজকের কল্যানরাষ্ট্র ঘুরপথে আরেক অসামাজিক চুক্তির জন্ম দিয়েছে এটা দেখলে বোঝা যায় আদতে প্রশাসক আর শাসিতের সম্পর্ক বদলায়নি। তথ্য অধিকার আইনে জানা গেছে ২০১৫-১৬ অর্থবছরে প্রধানমন্ত্রী ও তার ক্যাবিনেট সহকর্মীদের বিদেশ ভ্রমণে খরচ হয়েছে ৫৬৭ কোটি টাকা, গত আড়াই বছরে সরকারী আধিকারিকদের বিদেশ ভ্রমণে খরচ হয়েছে  ১৫০০ কোটি টাকা, আড়াই বছরে সরকারের  বিজ্ঞাপন বাবদ খরচ হয়েছে ১১০০ কোটি টাকা। মনে রাখা দরকার মঙ্গলযানের জন্য খরচ হয়েছিল ৪৫০ কোটি। ফরাসী বিপ্লবের জন্য নাকি দায়ী ছিল পঞ্চদশ লুইয়ের নির্দেশে বানান হিরের হার, প্রিয় রক্ষিতার জন্য লুই বানাতে দিয়েছিল। কিন্তু আজকের নয়া ব্যুরবোঁদের জয়মাল্য ফরাসী রাজাদের নেকলেসকে ম্লান করে দেয়। এরসাথে যোগ করে নিন সরকারের বিপুল কর্মীবাহিনী পোষা, যাদের পেছনে যা খরচ সবটাই জোগায় সাধারণ মানুষের দেওয়া কর, প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ কর, কিন্তু এদের থেকে মানুষ পায় সামান্যই, এই নয়া অনুশাসকের দল ব্রিটিশ রাজকর্মচারীদের অনুকরণ করে আচরণে, জীবনযাপনে। আম আদমির নয়া ঔপনিবেশিক প্রভু বাদামী চামড়ার ভারতীয় সাহেব।

আদতে সরকার আর তার অনুগ্রহাশ্রিত আমলার দল মূল জাহাজ না, সাথে ঘুরে বেড়ান ল্যাংবোট। ভারতের আভ্যন্তরীণ ঔপনিবেশিক শক্তি ভারতীয় কর্পোরেট জগত। সরকার স্রেফ এদের দেশজয়ের একটা অস্ত্র। যে কোন ঔপনিবেশিক শক্তির মত এদের লোভ প্রাথমিক উৎপাদনের ওপর, শস্যের ওপর, দেশের প্রাকৃতিক সম্পদ আর খনিজের ওপর। সেই সম্পদ, শস্য নিয়ে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে নামে এরা। কিন্তু যে মানুষের থেকে ছিনিয়ে নেয় শস্য, জমি, নদী আর বনানী, তাদের শ্রম ব্যবহার করেই এই শান্তিপূর্ণ লুণ্ঠন চালায়। ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি যে ভাবে রাজস্বের টাকাই ব্যবসার মূলধন হিসেবে ব্যবহার করেছিল, সেভাবেই এরাও লুঠের টাকাই ব্যবহার করে নিজেদের সাম্রাজ্য বিস্তারে। শান্তিপূর্ণ ভাবে এটা করার জন্য প্রাথমিক উৎপাদনের দাম কমিয়ে রাখা হয়, কৃষি আর শিল্পের মূল্যানুপাত ক্রমাগত কৃষির বিপক্ষে চলে যায়, শিল্পশ্রমিকের মজুরী পরিষেবা মজুরীর থেকে অনুপাতে কমে, পণ্যমূল্যের অনুপাতে কমে।

যে দুই ট্রিলিয়ন অতিরিক্ত করের স্বপ্ন জগদীশ ভগবতী দেখছেন তা কর্পোরেট শিল্প থেকে আসবে না, আসবে প্রাথমিক ক্ষেত্র থেকে, যারা কর কম দিলেও ৯০% কর্মসংস্থান দেয়। দেশের দরিদ্র আধাদরিদ্র মানুষ কর্পোরেটের আধুনিক পণ্য খায় না, খায় অসংগঠিত ক্ষেত্রের পণ্য। এই ট্রিলিয়ন টাকা দেশের অসংগঠিত ক্ষেত্র বা তার সদস্য ব্যবসায়ী, শ্রমিকদের আয় বাড়ানোর জন্যও ব্যবহার হবে না, কর্পোরেট ক্ষেত্রকেই আরও শক্তিশালী করে তোলা হবে।

কর্পোরেট রাষ্ট্র এক নয়া ঔপনিবেশিক রাজতন্ত্র। সাধারণ মানুষকে দিয়ে সে কবর খোঁড়াচ্ছে, সাধারণ মানুষকেই সে কবরে ফেলে দেবে বলে। আর তাই দেখে বড়, মেজ, ছোট আমলা, সওদাগরী অফিসের ওপর থেকে নিচ খুব হাততালি দিচ্ছে অবোধের মত।

কিন্তু আজ পর্যন্ত এ যুদ্ধ যেখানই হয়েছে কর্পোরেট রাষ্ট্র জেতেনি। আজ নয় কাল, খোলা মুখ কবরে তাকেই যেতে হয়েছে। এদেশেও যেতে হবে। আজ নয় কাল।

Developed by DXDasia