
একটি দিন আমরা বৈষম্যের বিরুদ্ধে গিয়ে কথা বলি। কিন্তু কেন?
ছেলেটা পরিপূর্ণ একজন শিল্পী হতে চেয়েছিল। সেইমতো বানিয়ে নিয়েছিল অদৃশ্য এক গ্যালাক্সি। সেখানেই বাস রাজা-রানি-বাদশার। শিল্পী শুধু ওদের দ্যাখে। চোখে চোখ। গান গেয়ে ওঠে। পাগল সুরের। গ্যালাক্সির দুনিয়ায় তারা সবাই সবার বন্ধু। কিন্তু সবকিছু তো অদৃশ্য। লোকে বোঝে না। দেখতে পায় না। আসলে বোঝার বা দেখার চোখ হারিয়ে ফেলেছে মানুষ। মানুষ তাই মানুষকেই চিনতে পারে না। বেড়াজাল তৈরি করে। সামাজিক বেড়াজাল।
আজ বিশ্ব অটিজম সচেতনতা দিবস। এই একটি দিন আমরা বৈষম্যের বিরুদ্ধে গিয়ে কথা বলি। ‘কাউকেই পিছনে ফেলে না রাখা’ – এই মন্ত্র একটামাত্র দিন পালন করি। কিন্তু কেন? অটিস্টিক মানুষরা কি সমাজের অংশ নন? এই ভাবনাটা সারা বছরই কাজে লাগানো উচিত। তাদের সমস্ত প্রতিভাকে আরও পাঁচটা মানুষের কাছে কীভাবে নিয়ে যাওয়া যায়, সে ব্যাপারে নজর দেওয়া উচিত। একজন মানুষ তার স্বাভাবিক প্রবৃত্তি নিয়েই বেড়ে উঠুক। একটা কথা মনে রাখা দরকার, অ্যালবার্ট আইনস্টাইন, মোৎজার্ট, বিল গেটসের মতো মানুষের অটিজমের প্রকাশ অসংখ্য মানুষের কাছে পৌঁছে গেছে। বিশ্ব অটিজম দিবসে এই হোক আমাদের সংকল্প। ভালোবাসার চোখে সবকিছু দেখতে শিখলে, তবেই একটা সহজ সুন্দর পৃথিবী গড়তে পারব আমরা।
