
গড়ে উঠবে সরকারি ও বেসরকারি ক্ষেত্রে কর্মসংস্থানের সুযোগ
খুচরো বস্ত্র ব্যবসায়ীদের সমস্যা দূর করতে এবার নতুন করে উদ্যোগী হল রাজ্য সরকার। বেসরকারি উদ্যোগে ৬ টি এবং সরকারি উদ্যোগে ৮ টি পার্ক তৈরি করা হবে খুচরো বস্ত্রশিল্পের জন্য। সরকারি এবং বেসরকারি দুক্ষেত্রেই এর ফলে কর্মসংস্থান হবে।
এতদিন খুচরো বস্ত্র ব্যবসায়ীদের মূল অভিযোগ ছিল লাভের হেরফের নিয়ে। যেমন ধরা যাক, একটি জিনিস বিক্রি করে যেখানে ১০ টাকা লাভ হওয়ার কথা, সেখানে ব্যবসায়ীদের লাভ হচ্ছে মাত্র ৫ টাকা। এর ফলে ব্যবসা সংক্রান্ত দূরত্ব তৈরি হচ্ছে পাইকারি এবং খুচরো বিক্রেতাদের মধ্যে। তাঁদের সাহায্য করতেই এই পার্ক বানানোর উদ্যোগ। জগদীশপুরে হোসিয়ারি পার্ক, মহিষবাথানে অ্যাপারেল হাব, বারাসত অঞ্চলে প্রথম ও দ্বিতীয় দফায় গারমেন্ট পার্ক, অঙ্কুরহাটিতে এসএমই পার্ক ও কোনা ইন্টিগ্রেটেড টেক্সটাইল হাব- এই ছটি বেসরকারি পার্ক তৈরি হবে। আর সরকারি পার্কগুলির মধ্যে মেটিয়াবুরুজের কাছে নুঙ্গিতে একটির কাজ শুরু হয়েছে। বাকিগুলো তৈরি হবে বিভিন্ন জেলায়। পাশাপাশি সরকারি তরফে চিন্তাভাবনা চলছে ডেনিমের জন্য পার্ক বানানোর। পার্ক তৈরি হলে জগদীশপুরে ১ লক্ষ, মহিষ বাথানে ১৫ হাজার, বারাসতে প্রথম দফায় ১৫ হাজার ও দ্বিতীয় দফায় ২০ হাজার, অঙ্কুরহাটিতে ৮ হাজার, কোনাতে ৩০ হাজার কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা হবে বলে অর্থ দপ্তরের সূত্রে জানা গেছে। এই পার্কগুলো তৈরি হলে রাজ্যের সামগ্রিক অর্থনীতিতে তার ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
সম্প্রতি খুচরো বস্ত্র ব্যবসায়ীদের সঙ্গে রাজ্য সরকার একটি বৈঠক করেছে। তাতেই উঠে এসেছে ব্যবসায়ীদের সুবিধে-অসুবিধে সহ নানান বিষয়। পার্ক তৈরির ব্যাপারে মুম্বাইতে অ্যাপারেলের অল ইন্ডিয়া প্রেসিডেন্টের সঙ্গেও ইতিমধ্যে বৈঠক করেছেন অর্থমন্ত্রী অমিত মিত্র।
