
আটকে রয়েছেন ১০ হাজার পর্যটক, উদ্বিগ্ন প্রশাসন
পাহাড়ের স্কুলে বাংলা আবশ্যিক নয়, একথা আগেই জানিয়ে দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তা সত্ত্বেও ওই একই ইস্যু নিয়ে দার্জিলিং-এর ভানু ভবন এলাকা থেকে হিংসাত্মক আন্দোলনের জেরে আগুন জ্বললো পাহাড়ে। মোর্চা সমর্থকদের ছোঁড়া ইঁটের আঘাতে আহত হলেন পুলিশ কর্মীরা। জ্বালিয়ে দেওয়া হল তিনটি পুলিশের গাড়ি। আগুন থেকে রক্ষা পেল না গাড়ি এবং বাসও।পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নামাতে হল সেনা। আগামীকাল বারো ঘন্টার বনধ ডেকেছে মোর্চা। প্রায় ১০ হাজার পর্যটক আটকে রয়েছেন পাহাড়ে। আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে পাহাড়ের স্থানীয় বাসিন্দাদের ভিতরেও।যতক্ষণ না পর্যটকরা নিরাপদে পাহাড় থেকে নামতে পারছেন, ততক্ষণ দার্জিলিংয়েই থাকবেন, এমনটাই জানিয়েছেন মমতা।
সাড়ে চার দশক পর পাহাড়ে রাজ্য মন্ত্রিসভার বৈঠক হয় এদিন দার্জিলিং-এর রাজভবনে। বৈঠক শেষে মুখ্যমন্ত্রী ঘোষণা করেন, পাহাড়ে উন্নয়নকে জোরদার করতেই শিলিগুড়ির উত্তরকন্যার আদলে দার্জিলিং-এ তৈরি হবে তেনজিং নোরগের নামে প্রশাসনিক ভবন। ৬ মাসের মধ্যেই এই প্রশাসনিক ভবন তৈরির কাজ শুরু হবে বলে জানান তিনি।
রাজভবনে যখন মন্ত্রিসভার বৈঠক চলাকালীনই সেখান থেকে ঢিল ছোঁড়া দূরত্বে ভানু ভবনে শুরু হয় মোর্চার বিক্ষোভ জমায়েত। দুপুরে এই বিক্ষোভ সমাবেশে যোগ দেন মোর্চা সুপ্রিমো বিমল গুরুং। এরপরই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হতে থাকে। সেখনে মোতায়েন পুলিশ বাহিনীর ওপর এলোপাথারি ইঁট বৃষ্টি করতে শুরু করে মোর্চা সমর্থকরা। পুলিসের পালটা লাঠি চার্জ, কাঁদানে গ্যাসেও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসেনি। শেষে শান্তি ফেরাতে সেনা নামানোর সিদ্ধান্ত নিতে হয় প্রশাসনকে।
