সাত পুরসভাতেই হই হই করে জিতল তৃণমূল

কংগ্রেস-বাম কার্যত নিশ্চিহ্ন

সাত পরসভার ফল ঘোষণা হল। ধূপগুড়ি থেকে দুর্গাপুর, সর্বত্রই জিতেছে রাজ্যের শাসকদল। শুধু জয় নয় পেয়েছে নিরঙ্কুশ সংখ্যা গরিষ্ঠতা। ফলে সাত পুরসভাতেই বোর্ড গঠন করতে চলেছে তৃণমূল। পাশাপাশি ঝাড়গ্রামের একটি আসনে পুনর্নিবার্চন ও চাঁপদানির একটি ওয়ার্ডের উপনির্বাচনেও জয়ী হয়েছে ঘাসফুল। আসন এবং ভোট প্রাপ্তির নিরিখে বাম এবং কংগ্রেসকে ছাড়িয়ে গিয়ে রাজ্য রাজনীতিতে বিজেপির দ্বিতীয় শক্তি হয়ে ওঠার ইঙ্গিত এই নির্বাচনেও বেশ স্পষ্ট। তবে প্রথম তৃণমূলের থেকে দ্বিতীয়ের দূরত্ব এতটাই বেশি যে তা নিয়ে বিদ্রুপ করতে ছাড়েননি তৃণমূল কংগ্রেসের মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়। সিপিএম নেতা সুজন ক্রবর্তী বলেছেন, ৭ পুরসভায় কোনও ভোটই হয়নি। গুন্ডামি করে ভোট লুঠ করা হয়েছে। ধূপগুড়ি, বুনিয়াদপুর, পাঁশকুড়ায় বিজেপি খাতা খুললেও বামেদের বা কংগ্রেসের অস্তিত্বই খুঁজে পাওয়া যায়নি। গত রবিবার হয় এই ভোটগ্রহণ। আজ সকাল ৮টা থেকে নলহাটি, হলদিয়া, পাঁশকুড়া, বুনিয়াদপুর, ধূপগুড়ি, দুর্গাপুর এবং কুপার্স ক্যাম্প পুরসভার ভোটগণনা শুরু হয়। হলদিয়ায় মোট ২৯টি আসনের মধ্যে ২৯টিই পেয়েছে তৃণমূল প্রার্থীরা। পাঁশকুড়ায় ১৮টি আসনের মধ্যে ১৭টি তৃণমূল এবং ১টি আসন পেয়েছে বিজেপি। কুপার্স ক্যাম্পে ১২টি আসনের মধ্যে ১২টিই দখল করেছে তৃণমূল। নহলহাটির ১৬টি আসনের মধ্যে ১৪টিতে জয়ী তৃণমূল, ১টি বামেরা এবং একটি অন্যান্যরা, বুনিয়াদপুরে ১৪টি আসনের মধ্যে ১৩টি তৃণমূল ও ১টি বিজেপি, দুর্গাপুরে ৪৩ আসনের মধ্যে ৪৩টি আসনই শাসকদলের পক্ষে। ধূপগুড়িতে ১৬টি আসনের মধ্যে ১২টিতে তৃণমূল জয়ী এবং ৪টি ওয়ার্ডে জয়ী হয়েছে বিজেপি।

Developed by DXDasia