
‘প্রিভেনশন অফ ক্রুয়েলটি টু অ্যানিম্যালস’ আইনে ব্যবস্থা নেওয়া হবে
দোল এবং হোলি উপলক্ষে কড়া ব্যবস্থা নিল বিধাননগর পুলিশ কমিশনারেট। কুকুর, বেড়াল, ছাগল, গরুর গায়ে রং ছেটালে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন পুলিশকর্তারা। এমনকি ছয় মাসের জেলও হতে পারে। নিছক মজা পেতে প্রতিবছর এই দোল বা হোলির দিন কুকুর বা ছাগলদের গায়ে অযথা রং ছেটান সমাজের এক অংশের মানুষ। কিছু সহৃদয় সমাজসচেতন মানুষ এগিয়ে এলেও লাভের লাভ কিছুই হয়নি। কে শোনে কার কথা! এবার সেই ব্যবস্থাই কড়া হাতে নিল বিধাননগর পুলিশ কমিশনারেট।
পথকুকুরদের পক্ষে বাঁদুরে রং ভীষণ বিপজ্জনক বলে জানিয়েছেন পশু চিকিৎসকেরা। বিশেষজ্ঞদের মতে, কুকুরের চামড়া মানুষের চামড়ার তুলনায় প্রায় ৬ গুণ পাতলা। ফলে কুকুরের গায়ে রং ছেটালে তার মধ্যে থাকা বিষাক্ত রাসায়নিক সহজেই কোষের মধ্যে ঢুকে ক্ষতের সৃষ্টি করে, ক্যান্সারও হতে পারে। এই ক্ষত সংক্রামক। আক্রান্ত কুকুর থেকে সুস্থ কুকুরের শরীরেও সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা থাকে। বিষাক্ত রাসায়নিক চোখে গেলে কুকুরের অন্ধ হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনাও প্রবল। এ নিয়ে সচেতনতার প্রচার চলা সত্ত্বেও অবলা প্রাণীদের পিচকিরির ‘টার্গেট’ করা বন্ধ হয়নি। বিধাননগর পুলিশ কমিশনারেট সূত্রে খবর, দোল ও হোলিতে অবলা প্রাণীদের গায়ে রং ছেটালে ‘প্রিভেনশন অফ ক্রুয়েলটি টু অ্যানিম্যালস’ আইনে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অভিযুক্ত যদি প্রথমবার এ ধরনের অপরাধ করেন, তাহলে জরিমানা, অন্যথায় ৬ মাস জেল হতে পারে অভিযুক্তের।
