
মূর্তিটি প্রায় ২ ফুট লম্বা ও ১০ ইঞ্চি চওড়া
করছিলেন চাষ। লাঙল চালাতে চালাতে, জমি থেকে উঠে এল বিষ্ণুমূর্তি। এমনটাই ঘটেছে রায়দিঘির উত্তর কঙ্কনদিঘির রায়পাড়াতে। কৃষক বাদল মণ্ডল উদ্ধার হওয়া মূর্তিটিকে নিয়ে আসেন বাড়িতে। ইতিমধ্যেই খবর ছড়িয়ে গেলে, পুলিশ এসে মূর্তিটিকে নিয়ে যায় থানায়।
গবেষক দেবীশঙ্কর মিদ্যা থানায় গিয়ে মূর্তিটি পরিদর্শন করে সংবাদমাধ্যমকে জানান, ‘এই বিষ্ণুমূর্তিটি একাদশ শতকের। সে সময় পুজো হত এই মূর্তির। মূর্তিটিকে মাধব বলা হয়। মূর্তির নিচের দিকে দু’পাশে পুষ্টি বা সরস্বতী ও শ্রী বা লক্ষ্মী মূর্তি রয়েছে।’ মূর্তিটি সংরক্ষণের জন্য রাজ্য সরকারের প্রত্নতত্ত্ব সংগ্রহশালার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন তিনি।
মূর্তিটি প্রায় ২ ফুট লম্বা ও ১০ ইঞ্চি চওড়া। আগেও এই এলাকা থেকে বিভিন্ন প্রাচীন মূর্তি পাওয়া গেছে। এমনকি কাছাকাছি এলাকায় আভাস মিলেছিল একটি বৌদ্ধবিহারেরও। সদ্য উদ্ধার হওয়া মূর্তিটি সেই সভ্যতারই নিদর্শন, এমনই অনুমান দেবীশঙ্করবাবুর।
