
মহাদেবের দণ্ডায়মান স্ট্যাচুটির উচ্চতা ১৪৪ ফুট
শুনেছিলাম বিশ্বের উচ্চতম দণ্ডায়মান শিবমূর্তিটি নাকি রয়েছে নেপালে। তারই খোঁজে এবার নেপালের পথে।
রাজধানী কাঠমান্ডু থেকে যে রাস্তা ভক্তপুর হয়ে যাচ্ছে সাংঘা, সেই রাস্তা থেকে পাহাড়ের অন্যদিকের পাহাড়ে তাকালেই চোখে পড়বে এক বিরাট দণ্ডায়মান শিবমূর্তি – 'কৈলাসনাথ মহাদেব'। কাঠমান্ডু থেকে সাংঘার দূরত্ব কুড়ি কিমি। মেলে বাস, প্রাইভেট কার।
কারো মতে এই কৈলাসনাথ মহাদেবের স্ট্যাচুটি বিশ্বের সব চেয়ে উঁচু দণ্ডায়মান শিব ভাস্কর্য। আবার কারো মতে এই কৈলাসনাথ মহাদেবের স্ট্যাচুটি এশিয়ার উচ্চতম স্ট্যাচু। কপার, জিঙ্ক, কংক্রিট এবং স্টিল দিয়ে তৈরি মহাদেবের দণ্ডায়মান স্ট্যাচুটির উচ্চতা ১৪৪ ফুট। নেপালি ব্যবসায়ী কমল জৈন মহাদেবের এই ভাস্কর্যটি নির্মাণের জন্য আনুমানিক দেড় কোটি টাকা অনুদান দেন।
কৈলাসনাথ মহাদেবের এই স্ট্যাচুটির নির্মাণ কাজ শুরু হয় ২০০৪ সালে এবং কাজ শেষ হয় ২০১০ সালে। প্রায় ছ- সাত বছর ধরে চলে নির্মাণকাজ। ২০১১ সালে জনসাধারণের দর্শনের জন্য খুলে দেওয়া হয় সাংঘার এই বিশাল কৈলাসনাথ মহাদেবের দন্ডায়মান স্ট্যাচুটি।
সারা বছরই এই স্ট্যাচু দেখতে ভিড় উপচে পড়ে। নেপাল ট্যুরিজম-এর এক সমীক্ষা থেকে জানা যায়, প্রতি সপ্তাহে প্রায় ৫০০০ দর্শনার্থী সাংঘার কৈলাস মহাদেবের এই দণ্ডায়মান স্ট্যাচুটি দেখতে আসেন। আর শনি-রবিবার এবং অন্যান্য ছুটির দিনে এই সংখ্যা আরো বৃদ্ধি পায়।
