
১৫০ একর জমি অবধি ছাড়
উত্তরবঙ্গে চা পর্যটনের বিকাশ ঘটাতে অনেক দিন ধরেই চা বাগানের উদ্বৃত্ত জমিতে পর্যটনের জন্য অনুমোদন দেওয়ার পরিকল্পনা নিয়েছিল রাজ্য সরকার। বৃহস্পতিবার রাজ্য মন্ত্রিসভার বৈঠকে সেই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে এক গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হল।

এবার থেকে চা বাগানের ১৫ শতাংশ জমিকে পরিবেশ-বান্ধব চা পর্যটনের জন্য ব্যবহার করা যাবে। সর্বোচ্চ ১৫০ একর জমি এই কাজে লাগানোর অনুমতি মিলবে। তার ৪০ শতাংশ জমিতে নির্মাণ অর্থাৎ রিসর্ট, ইকো ট্যুরিজম রেস্তোরাঁ, ট্যুরিজম হাব ইত্যাদি বানানোর অনুমোদন দেবে সরকার। এই ব্যাপারে মুখ্য সচিবের নেতৃত্বে গড়ে ওঠা স্ক্রিনিং কমিটির কাছে চা বাগানের মালিকরা আবেদন করতে পারবেন। প্ল্যানটেশন আইনকে মান্যতা দিয়েই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে মন্ত্রিসভা।

উত্তরবঙ্গে পর্যটনের বিকাশ ঘটাতে ইতিমধ্যেই রাজ্য প্রশাসন বেশ কিছু উদ্যোগ নিয়েছে। তৈরি করা হয়েছে গাজলডোবা পর্যটন কেন্দ্র। ডুয়ার্সের ডামডিং-এ গড়ে উঠেছে ডামডিং টি রেসিডেন্সি। এবার নবান্নের এই নতুন পদক্ষেপে চা বাগানের শ্রমিকদের কর্মসংস্থান এবং মালিকদের আয় বাড়বে, বৃদ্ধি পাবে বিনিয়োগ, ফলে চা শিল্পেরও উজ্জীবন ঘটবে। পাহাড় ভ্রমণের পাশাপাশি এবার চা বাগানও হয়ে উঠবে পর্যটকদের কাছে এক আকর্ষণীয় স্থান।
