
অংশগ্রহণে থাকবেন রবীন্দ্র-গবেষক পীতম সেনগুপ্ত, কবি লেখক ফারজানা কাদের এবং রবীন্দ্রসংগীত শিল্পী দীপাঞ্জন পাল
শিল্প ও সাহিত্যে ‘নান্দনিক’ নামক চমৎকার শব্দ আছে। সেই নন্দনতত্ত্ব দর্শনের একটি শাখা, যেখানে সৌন্দর্য, শিল্প, স্বাদ এবং সৌন্দর্য সৃষ্টি ও উপভোগ নিয়ে আলোচনা করা হয় বিশদে। আরও বৈজ্ঞানিকভাবে বললে হয় নন্দনতত্ত্ব মানুষের সংবেদনশীলতা ও আবেগের মূল্য এবং অনুভূতি ও স্বাদের বিচার নিয়ে আলোচনা করে।
তবে শিল্পের সময় কখনও থেমে থাকে না। একশো বছর আগে রবীন্দ্রসংগীতের যে ধারা ছিল, এখন তা পাল্টেছে। সেখানেও ঢুকে পড়েছে সাম্প্রতিক সময়ের দাবি। ঢুকেছে নানান বাদ্যযন্ত্র। এই ‘আধুনিকতা’ চিহ্নিতকরণের বিষয়টি একটু ঘাঁটা। কোনটা আধুনিক আর কোনটা আধুনিক নয়, তা নির্ণয় করবে কে! রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৩৩৯ বঙ্গাব্দে ‘আধুনিক সাহিত্য’ প্রবন্ধে লিখেছেন, “পাঁজি মিলিয়ে মডার্নের সীমানা নির্ণয় করবে কে। এটা কালের কথা ততটা নয় যতটা ভাবের কথা।”
এই প্রবন্ধে তিনি এজরা পাউণ্ডের কবিতা ‘এসথেটিক্স’ শিরোনামটির বঙ্গানুবাদ করেছিলেন ‘নন্দনতত্ত্ব’। সম্ভবত সেই প্রথম এই ‘নান্দনিক’ শব্দটির প্রয়োগ দেখা যায় তাঁর রচনায়। পরবর্তীতে রবীন্দ্রনাথের সমস্ত সৃষ্টির নান্দনিকতা নিয়ে বহুবিধ গবেষণা আলোচনা হয়েছে বিদগ্ধ সমাজে। এই প্রবাহমানতায় যুক্ত হবে নতুন একটি আলোচনা।
আগামী রোববার, ৫ ডিসেম্বর বিকেল ৪টে, কারু সংস্থার আয়োজনে নিউটাউন ডাউনটাউন মলে সংস্থার নিজস্ব গৃহে বসছে ‘টেগোর’স এসথেটিক্স অ্যাণ্ড মর্ডান ইণ্ডিয়া’ আলোচনার আসর। অংশগ্রহণে থাকবেন লেখক রবীন্দ্র-গবেষক পীতম সেনগুপ্ত, ইংরেজি সাহিত্যের কবি লেখক ফারজানা কাদের এবং রবীন্দ্রসংগীত শিল্পী দীপাঞ্জন পাল।
