বিকল্প হিসাবে মাদুরকাঠি চাষ, দেশের মধ্যে দ্বিতীয় দক্ষিণ দিনাজপুর – পড়ুন সারাদিনের বাছাই খবর

দিনযাপনে বাছাই চার

বিকল্প হিসাবে মাদুরকাঠি চাষ, দেশের মধ্যে দ্বিতীয় দক্ষিণ দিনাজপুর

বাংলার জেলা কোনো অংশেই পিছিয়ে নেই, তা আরেকবার প্রমাণ করে দিল দক্ষিণ দিনাজপুর। বিকল্প হিসাবে মাদুরকাঠি চাষ করে দেশের মধ্যে দ্বিতীয় স্থান অধিকার করল উত্তরবঙ্গের এই জেলা। ১১ জানুয়ারি দিল্লিতে জেলা প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের এই পুরস্কার দেওয়া হয়। ১০০ দিনের কাজের মাধ্যমে এই উদ্যোগ নিয়েছিল জেলা প্রশাসন। সেখানেই দক্ষিণ দিনাজপুর পুরস্কৃত হল স্কচ অ্যাওয়ার্ডে। বিভিন্ন কাঠি বা শন দিয়ে মাদুরের পাটি, আসন, ব্যাগ-সহ নানা ঘর সাজাবার সামগ্রী তৈরি করা হচ্ছে। উল্লেখ করার মতো ঘটনা হল, পুন্ডরি, শিরসি, বাগিচাপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের ৯৯টি পরিবারকে ১০০ দিনের প্রকল্পে যুক্ত করা হয়েছিল। পাশাপাশি আরও ৪০০টী পরিবারকে মাদুরকাঠি চাষে যুক্ত করেছে জেলা প্রশাসন।

৯৩৩ ঘণ্টা লাইব্রেরি ব্যবহার করার রেকর্ড, পুরস্কৃত জেভিয়ার্সের শুভজিৎ

সেন্ট জেভিয়ার্স কলেজের বি.কম তৃতীয় বর্ষের ছাত্র শুভজিৎ বিশ্বাস গত এক বছরে ৯৩৩ ঘণ্টা লাইব্রেরি ব্যবহার করে রেকর্ড গড়লেন। তাঁর এই পরিশ্রম এবং পড়াশোনার প্রতি নিষ্ঠাকে সম্মান জানিয়ে স্বীকৃতি দিল কলেজ কর্তৃপক্ষ। শুভজিৎ পেলেন, ‘সেন্ট জেভিয়ার্স কলেজ সেন্ট্রাল লাইব্রেরি ইউজার অ্যাওয়ার্ড’। পড়ুয়াদের লাইব্রেরির প্রতি উৎসাহ বাড়াতে গত বছর থেকে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়। জেভিয়ার্সের লাইব্রেরি সকাল ১০টায় খোলে এবং সন্ধে ৭টায় বন্ধ হয়। শুভজিৎ প্রাতঃ বিভাগে পড়াশুনা করেন। তাই ভোর ছ’টায় ক্লাসে ঢুকে যেতে হয়। কলেজ শেষ হয় ৯টা ৫০ মিনিটে। সাংবাদিকদের শুভজিৎ জানিয়েছেন, কলেজ শেষ হওয়ার পর প্রাতঃরাশ সেরে সাড়ে ১০টা নাগাদ লাইব্রেরিতে ঢোকেন। আর লাইব্রেরি যখন বন্ধ হয়, তখন বেরোন। শুধুমাত্র সিলেবাসের বই-ই পড়েন না শুভজিৎ। তালিকায় থাকে সত্যজিৎ রায়ের ‘ফেলুদা সমগ্র’ থেকে ড্যান ব্রাউনের ‘ইনফার্নো’র মতো বই। কলেজের প্রিন্সিপ্যাল ডঃ ডোমিনিক স্যাভিও এ ব্যাপারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।

৩৫টি দেশের ২০০টির বেশি সিনেমা নিয়ে শুরু হচ্ছে আন্তর্জাতিক শিশু চলচ্চিত্র উৎসব

শুরু হতে চলেছে নবম কলকাতা আন্তর্জাতিক শিশু চলচ্চিত্র উৎসব। আয়োজনে পশ্চিমবঙ্গ শিশু কিশোর আকাডেমি। শনিবার বিকেল পাঁচটায় নন্দন ১ প্রেক্ষাগৃহে এই চলচ্চিত্র উৎসবের উদ্বোধন করবেন ‘হামিদ’ খ্যাত শিশু অভিনেতা তালহা আরশাদ রেশি। হাজির থাকবেন ‘হামিদ’-এর পরিচালক আইজাজ খান। এছাড়া, বিশেষ অতিথি হাঙ্গেরির পরিচালক লেইলা জরডি, প্রধান অতিথি অরূপ বিশ্বাস এবং ইন্দ্রনীল সেন, শিশু কিশোর আকাদেমির চেয়ারপার্সন অর্পিতা ঘোষও থাকবেন মঞ্চে। এবারের শিশু চলচ্চিত্র উৎসব চলবে ২৬ জানুয়ারি পর্যন্ত। নন্দন, স্টার থিয়েটার, রবীন্দ্র-ওকাকুরা ভবন, রবীন্দ্রসদন, শিশির মঞ্চ, অহীন্দ্র মঞ্চ এবং রবীন্দ্র তীর্থে ৩৫টি দেশের ২০০-রও বেশি চলচ্চিত্র দেখানো হবে। মাজিদ মাজিদির ‘চিল্ড্রেন অফ হেভেন’, সত্যজিৎ রায়ের ‘ফটিকচাঁদ’, মণীশ সাইনির ‘দহ’, সৌকর্য ঘোষালের ‘রেনবো জেলি’, মৃত্তিকা গুণের ‘কালো মেঘের ভেলা’, টোকন ঠাকুরের ‘রাজপুত্তুর’, আসিফ ইসলাম ও ফয়সাল রড্ডির ‘পাঠশালা’-র মতো বেশ কিছু ভালো ছবি দেখানো হবে গোটা উৎসব জুড়ে।

৬৪ বছরে পা দিচ্ছে উত্তরপাড়ার ধ্রুপদী সঙ্গীতের মহাসম্মেলন

কলকাতার বিকল্প কোনো উচ্চাঙ্গ সংগীতের আসর কি গঙ্গাতীরের মফস্সলে বসানো যায়? এই ভাবনা থেকেই ১৯৫৭ সালে উত্তরপাড়ায় প্রথমবার আয়োজিত হয়েছিল শাস্ত্রীয় সংগীত সম্মেলন। প্রতিবন্ধকতা যেমন ছিল প্রচুর, তেমনই, আন্তরিকভাবে সাহায্য করতে এগিয়ে আসা মানুষও কম ছিলেন না। সেবার উস্তাদ বড়ে গোলাম আলি খান, গীতশ্রী সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায়, আলি আকবর খান, মণিলাল নাগের মতো শিল্পীরা হাজির ছিলেন। উত্তরপাড়া এবং তার চারপাশের সঙ্গীতপিপাসু মানুষদের ভালোবাসা নিয়ে সেই সম্মেলন এবার ৬৪ বছরে পা দিল। আগামী ২৪ জানুয়ারি, শুক্রবার থেকে উত্তরপাড়ার জয়কৃষ্ণ সাধারণ গ্রন্থাগারের মাঠে এবারের শাস্ত্রীয় সংগীত সম্মেলন শুরু হবে। চলবে ২৬ জানুয়ারি, রবিবার পর্যন্ত। এই জমকালো সম্মেলনের আয়োজন করেছে ‘উত্তরপাড়া সংগীত চক্র’। সহযোগিতায় রাজ্য সরকারের সংস্কৃতি দপ্তর। পণ্ডিত উপেন্দ্র ভট্ট, পণ্ডিত ভেঙ্কটেশ কুমার, উস্তাদ ওয়াসিম আহমেদ খানের মতো কণ্ঠশিল্পী, পণ্ডিত তেজেন্দ্র নারায়ণ মজুমদার, শুভব্রত চট্টোপাধ্যায়ের মতো সরোদ শিল্পীর পাশাপাশি নৃত্যশিল্পী সুলগ্না বন্দ্যোপাধ্যায়, ঘটম শিল্পী সোমনাথ রায় প্রমুখের উজ্জ্বল উপস্থিতি এবারের মুখ্য আকর্ষণ।
Developed by DXDasia