
গ্রন্থাগারে উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন জনজাতি- মেচ, রাভা, টোটোদের উপর লেখা বিভিন্ন পত্র-পত্রিকা ও বই রাখা হবে
শিলিগুড়িতে উত্তরবঙ্গের আদিবাসী জনগোষ্ঠীর ওপর লেখা বইয়ের সম্ভার নিয়ে তৈরি হচ্ছে বুককর্নার। বুককর্নারটি করা হচ্ছে বহু প্রাচীন সরকারি গ্রন্থাগার বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদে। শনিবার গ্রন্থাগার প্রশাসক নন্দিতা সিনহা জানিয়েছেন, নেপালিসহ উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন জনজাতি- মেচ, রাভা, টোটোদের উপর লেখা বিভিন্ন পত্র-পত্রিকা ও বই রাখা হবে।
শিলিগুড়ির বহু প্রাচীন গ্রন্থাগার হল বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ মহকুমা গ্রন্থাগার। সেই গ্রন্থাগারের অবস্থা কিছুদিন আগে বেহাল হয়ে পড়ে। গৌতম দেব উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রী থাকার সময় ঐতিহ্যবাহী এই গ্রন্থাগারের সংস্কারের উদ্যোগ নিয়েছিলেন। পুরনো ভবন ভেঙে নতুন ভবন তৈরির জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে এক কোটি ৭৪ লক্ষ ১১৮৯ টাকা। ২০১৬ সালের ২১ জানুয়ারি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় শিলিগুড়ির সালুগারা এলাকাতে বেঙ্গল সাফারি উদ্বোধন করার সময় বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদের নতুন ভবন তৈরির শিলান্যাস করেছিলেন। ইতিমধ্যে ভবন নির্মাণের কাজ শেষ হয়েছে। চলছে বৈদ্যুতিক সংযোগের কাজ। গ্রন্থাগারে শিশুদের পড়ার ঘর, বয়স্কদের পড়ার ঘর, মহিলাদের ঘর, পাঠ্যপুস্তকের ঘর ছাড়া আছে একটি বড় হল ঘর। হল ঘরে আয়োজন করা হবে নানারকমের আলোচনা সভা। প্রশাসক নন্দিতা সিনহা জানিয়েছেন, দুঃস্থ ও মেধাবী ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য পাঠ্য বই রাখা হবে। গ্রন্থাগারের সামনে থাকবে সিসি ক্যামেরা এবং লিফট পরিষেবা। পাঠকদের জন্য থাকবে নেট পরিষেবা। গ্রন্থাগারকে সমৃদ্ধ করতে কেনা হবে বিভিন্ন ভাষা-ভাষীর বই। জেলাস্তরের তৈরি হওয়া আদিবাসী গ্রন্থাগার এখন দ্বার উন্মোচনের অপেক্ষায়।
