২৪তম শহিদ দিবসের জনস্রোত আবারও বোঝাল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতি তাদের আস্থা।

২৪তম শহিদ দিবসের জনস্রোত আবারও বোঝাল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতি তাদের আস্থা।

২১ জুলাই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপর আক্রমণ হয়েছিল দুই জায়গায়। ব্রেবোর্ন রোডে পুলিশ তাঁর কোমরে রাইফেলের বাট দিয়ে মারে। আর মেয়ো রোডে পুলিশ গাড়ির দরজা বন্ধ করার অছিলায় গাড়ির দরজা দিয়েই তাঁকে আঘাত করে। এর পর তিনি অচৈতন্য হয়ে পড়েন এবং তাঁকে হাসপাতাল নিয়ে যাওয়া হয়।

আজকের ঐতিহাসিক সমাবেশের কিছু ছবি দেখতে

 

১৯৯৩ সালের ২১ জুলাই পুলিশের গুলিতে মৃত্যু হয়েছিল ১৩ জন যুবকের।  পুলিশকতৃক এই হত্যার কারণ অনুসদ্ধানের জন্য তদন্ত কমিটিও গড়তে রাজি হয়নি তদান্তিন বামফ্রন্ট সরকার। নিহতদের পরিবারকেও দেওয়া হয়নি কোন রকম  ক্ষতিপূরণ । হাসপাতালের বেডে শুয়েই মমতা সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন, কোনও সরকারি সাহায্য নেওয়া হবে না। সাধারণ মানুষের থেকে সাহায্য নিয়েই শহিদ পরিবারের পাশে দাঁড়াতে হবে। কবি সুভাষ মুখোপাধ্যায়কে চেয়ারম্যান করে তৈরি হল ৬ জনের কমিটি। মমতা আবেদন জানালেন ব্যাঙ্ক ড্রাফট বা চেকে একটা নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ওই টাকা পাঠাতে হবে। তিনি চেয়েছিলেন ১৩ জন শহিদের জন্য ১৩ লক্ষ টাকা তুলতে। কিন্তু খুব অল্প সময়ের মধ্যেই বাংলার নানা প্রান্ত থেকে ২০ লক্ষ টাকা চলে এলো। স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীরাও পাঠিয়েছিল তাদের টিফিনের জমানো পয়সা। টাকা এসেছিল বহু ট্রেড ইউনিয়ন, বহু সাধারণ চাকুরিজীবীর থেকে।

ছবিঃ অশোক মজুমদার

Developed by DXDasia