
এলাকার শিশুদের হাতে তুলে দেওয়া হচ্ছে সেই পুতুল
মাটির পুতুলে ঢুকিয়ে দেওয়া হয়েছে নিম, জাম, পেয়ারা, শাল, সেগুন গাছের বীজ। পুরুলিয়ার মানবাজার ২ নম্বর ব্লকের বুঁড়িবাঁধ এলাকায় এমনই সব খেলনা তৈরি করছে নবীন আশার আলো সাথী মহিলা স্বনির্ভর সংঘের সদস্যরা। এভাবেই গোটা অঞ্চলে সবুজ আরও বাড়বে। রোধ করা যাবে পুরুলিয়ার অনাবৃষ্টি।
মাটির কলা, ডাব, হাতি, ঘোড়া, পাখি, রাজা, রানি বানিয়ে সেগুলো তুলে দেওয়া হচ্ছে স্থানীয় অঙ্গনওয়ারি কেন্দ্র ও স্কুলের বাচ্চাদের হাতে। একটি খেলনার ভেতর আছে বেশ কয়েকটি বীজ। বাচ্চারা খেলনা নিয়ে খেলে আনন্দ পাচ্ছে। যখন যেগুলো ভেঙে যাবে, তার ভেতরে লুকিয়ে থাকা বীজগুলো ছড়িয়ে পড়বে মাটিতে। জন্মাবে নতুন গাছ। খেলনায় ব্যবহার করা হয় জৈব রং, ফলে তা শিশুদের কোনো ক্ষতি করে না। শিশুদের বোঝানো হচ্ছে, কীভাবে খেলনা থেকে গাছের বীজ মাটিতে পৌঁছবে। সেই বীজ থেকে চারাগাছ জন্মালে কীভাবে সেগুলোকে পরিচর্চা করতে হবে, তাও শেখানো হচ্ছে তাদের।
নবীন আশার আলো সাথী মহিলা স্বনির্ভর সংঘের অধীনে ১২টি স্বনির্ভর দলের একজন করে এই কাজের সঙ্গে যুক্ত আছেন। তাঁরাই পুতুল বানাচ্ছেন, আবার সেই পুতুল শিশুদের কাছে দিয়ে আসছেন তাঁরাই। ইতিমধ্যেই স্থানীয় কচিকাঁচাদের হাতে ১৫ হাজার খেলনা তুলে দেওয়া হয়েছে। বিভিন্ন মহল থেকে স্বাগত জানানো হয়েছে এই উদ্যোগকে ।
(ছবি – প্রতীকী)
