চিরতরে বন্ধ হয়ে গেল শতাব্দীপ্রাচীন সিনেমা হল ‘রক্সি – পড়ুন সারাদিনের বাছাই খবর

দিনযাপনে বাছাই করা খবর

চিরতরে বন্ধ হয়ে গেল শতাব্দীপ্রাচীন সিনেমা হল ‘রক্সি’

গতকাল অর্থাৎ বৃহস্পতিবার চিরতরে বন্ধ হয়ে গেল শহরের শতাব্দীপ্রাচীন ‘রক্সি’ সিনেমা হল। শহরের বুকে বন্ধ হয়ে গেল আরও একটি ‘সিঙ্গল স্ক্রিন’। সকাল থেকেই যখন বন্ধের নোটিস পড়েছে, খবর শুনে থমকালেন পথচলতিরাও। বহুজনের চোখে তখন স্মৃতির সোনালি দিনগুলোর ছবি ভেসে উঠছে। প্রথম দিকে একটি অপেরা হাউস হিসেবে চালু হওয়া এই প্রেক্ষাগৃহ সিনেমা হল হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে ১৯৪১ সালে। বুধবার রাতেই হল বন্ধের খবর শুনে হার্ট অ্যাটাক হয়েছে কর্মরত ষাটোর্ধ্ব গৌরী সিং নামে এক কর্মীর। ইতিহাস বলছে, ১৯৪৩ সালে নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু এখানে দেখেছেন অশোককুমার অভিনীত ‘কিসমত’। সিনেমা হল হিসেবে রক্সিতে প্রথম শো ছিল অভিনেতা অশোককুমারের ‘নয়া সংসার’। আর শেষ প্রদর্শিত ছবি ইভনিং শো’র হিন্দি ফিল্ম ‘ভূত’ দিয়েই ইতিহাসের পাতায় চলে গেল ‘রক্সি’।

বৌদ্ধায়নের বাংলা ছবি ‘মরিচঝাঁপি’ পৌঁছে গেল কান চলচ্চিত্র উৎসবে

বাংলা ছবি ‘তিনকাহন’ এবং হিন্দি ছবি ‘দ্য ভায়োলিন প্লেয়ার’-এর মধ্যে দিয়ে ব্যতিক্রমী পরিচালক হিসাবে দর্শকমনে জায়গা করে নিয়েছেন বৌদ্ধায়ন মুখোপাধ্যায়। এবার তাঁর ছবি ‘মরিচঝাঁপি’। ভাষা এক হলেও ওপার বাংলা থেকে আসা কিছু ছিন্নমূল মানুষের ঠাঁই হয়নি এপারে। শুধু জমি থেকে উচ্ছেদই নয়, তাঁরা যাতে জমিতে ফিরতে না পারেন, তার জন্য চলেছে পুলিশের বন্দুক। চলেছে নৃশংস হত্যালীলা। ইতিহাসের পাতায় এই কালো অধ্যায়ের নামই ‘মরিচঝাঁপি’। বৌদ্ধায়ন মুখোপাধ্যায়ের এই ছবি এবার পৌঁছে গেল কান চলচ্চিত্র উৎসবের সিনে ফন্ডেশনের লাতলিয়ের বিশ্বের ১৫টি ছবির মধ্যে একমাত্র বাংলা ছবি হিসাবে। বাংলার মাটিতে ইতিহাসের এই হাহাকারের আর্তনাদ পৌঁছে যাবে বিশ্বের কাছে। বাংলা ছবির জন্যও এ তো কম গর্বের নয়।

দার্জিলিং-এ ভগিনী নিবেদিতার সমাধিক্ষেত্র সেজে উঠল নতুন সাজে

১৯১১ সালে দার্জিলিং-এর রায় ভিলায় প্রয়াত হন ভগিনী নিবেদিতা। তাঁর নশ্বর দেহ দার্জিলিং-এরই এক শ্মশানে দাহ করা হয়েছিল। সেই চিতাস্থলে পরে নির্মিত হয় একটি স্মৃতি-মন্দির। কিন্তু, রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে ক্রমাগতই বেহাল হয়ে পড়ছিল সেই সমাধিক্ষেত্র। শেষ পর্যন্ত বছর দুয়েক আগে সেটি সংস্কার করার দায়িত্ব নেয় রামকৃষ্ণ মিশন নিবেদিতা এডুকেশন অ্যান্ড কালচারাল সেন্টার। সম্প্রতি এই সমাধিক্ষেত্র সেজে উঠেছে নতুন সাজে। শ্মশানে যাওয়ার রাস্তাও সারিয়ে দিয়েছে জিটিএ। সংস্কারের পর ভগিনী নিবেদিতার সমাধিক্ষেত্র রক্ষণাবেক্ষণের জন্য দার্জিলিং পুরসভাকে প্রস্তাব দিয়েছে রামকৃষ্ণ মিশন নিবেদিতা এডুকেশন অ্যান্ড কালচারাল সেন্টার। যোগাযোগ করা হয়েছে জেলা প্রশাসনের সঙ্গেও। কালচারাল সেন্টারের সন্ন্যাসীরা আশাবাদী, শীঘ্রই এই সমাধিক্ষেত্র রক্ষণাবেক্ষণের কোনো ব্যবস্থা করা যাবে।

শস্যের ফলন বাড়াতে প্রাকৃতিক উপায়ের সন্ধান দিল কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়

ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধি করতে পরাগবাহী পতঙ্গদের ভূমিকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু দূষণ, কীটনাশকের ব্যবহার ইত্যাদির ফলে পতঙ্গের সংখ্যা কমে আসছে। পরাগবাহী পতঙ্গদের কীভাবে কৃষিজমিতে ফেরানো যায়, তাই নিয়ে গবেষণা করছে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণীবিদ্যা বিভাগ। গবেষণার জন্য তাঁরা বেছে নিয়েছেন ওড়িশার বালেশ্বরকে। তাঁরা লক্ষ করেছেন, কৃষিজমিতে রংবেরং-এর ফুলগাছ থাকলে কীট-পতঙ্গরা আকৃষ্ট হয় বেশি। এতে পরাগ মিলনের সম্ভাবনা তৈরি হয়। শস্যের ফলন বাড়ে। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণীবিদ্যা বিভাগের গবেষকদের মতে, ফসলের উৎপাদন বাড়াতে খেতের মধ্যে ফুলগাছের চাষ করা দরকার। বিশেষ করে, বনতুলসী, আশসেওড়া, কালমেঘ প্রভৃতি গাছ লাগালে ফসলের উৎপাদন বৈপ্লবিক হারে বাড়বে।
Developed by DXDasia