
বাংলার ঝুলিতেই রইল রসগোল্লার জিআই রেজিস্ট্রেশন
রসনার রণক্ষেত্রে জয় হল বাংলারই। ওড়িশার হাত থেকে ফের রসের গোল্লাছুট। রসগোল্লা নিয়ে ওড়িশার দাবি খারিজ করে দিল জিআই রেজিস্ট্রেশন দপ্তর। জিআই রেজিস্ট্রেশন দপ্তর সূত্রে খবর, বাংলার রসগোল্লার জিআই রেজিস্ট্রেশন বাতিলের দাবি করে গতবছর আবেদন করা হয়েছিল। আবেদনের স্বপক্ষে প্রমাণ দেবার জন্য সময় দেওয়া হয়েছিল তিন মাস। এই তিন মাসের মধ্যে একাধিকবার শুনানি হয়েছে। কিন্তু সাড়ে চার মাস কেটে গেলেও উপযুক্ত তথ্যপ্রমাণ দিতে পারেননি আবেদনকারী। তাই গতকাল বৃহস্পতিবার সেই দাবি খারিজ করে দিল জিআই রেজিস্ট্রেশন দপ্তর।
রসগোল্লার আঁতুড়ঘর আদতে কোথায়! বাংলা নাকি ওড়িশা! ২০১৫ সালের জুন মাসে হঠাৎই জটিল হয়ে ওঠে এই প্রশ্ন। রসগোল্লার মালিকানা চেয়ে জিওগ্রাফিক্যাল ইন্ডিকেশন অফ গুডস-এর দ্বারস্থ হয় ওড়িশার নবীন পট্টনায়ক সরকার। ওই বছরই সেপ্টেম্বরে জিআই স্বীকৃতির জন্য চেন্নাই-এর জিওগ্রাফিক্যাল ইন্ডিকেশন অফ গুডস-এর কাছে আবেদন করে পশ্চিমবঙ্গ। তুঙ্গে ওঠে দুই রাজ্যের লড়াই। শেষ পর্যন্ত ওড়িশার দাবি খারিজ করে দেয় জিআই দপ্তর। দীর্ঘ আইনি লড়াইয়ের পর ২০১৭ সালের ১৪ নভেম্বর জিআই রেজিস্ট্রেশন স্বীকৃতি পায় বাংলার রসগোল্লা। সেই রেজিস্ট্রেশন বাতিল করার জন্য ২০১৮ সালের ফ্রেব্রুয়ারি মাসে জিআই-এর কাছেই পাল্টা আবেদন জানান ওড়িশার এক ব্যক্তি। বৃহস্পতিবার সেই আবেদনই খারিজ হওয়ায় বাংলার ঝুলিতেই রইল রসগোল্লার জিআই রেজিস্ট্রেশন।
গতবছর থেকে ১৪ নভেম্বর দিনটি রাজ্যে পালিত হচ্ছে রসগোল্লা দিবস হিসাবে। দ্বিতীয় রসগোল্লা দিবসের আগেই আইনি টানাপড়েনে ফের কলিঙ্গবিজয় বাংলার।
