প্রণয়ে ও বিরহে অতুলপ্রসাদ

রঞ্জন বন্দ্যোপাধ্যায় এবং ঋদ্ধি বন্দ্যোপাধ্যায়ের যুগলবন্দি

অতুলপ্রসাদ সেন একজন সঙ্গীতকারই নন, কবিও বটে। যিনি আজও প্রায় অনালোচিত। অতুলপ্রসাদ ছিলেন তৎকালীন ব্যারিস্টার। মা এবং স্ত্রী এই দুই নারী তাঁর অস্থিমজ্জায় মিশে ছিল, মিশে ছিল তাঁর সৃষ্টিতে। এই সৃষ্টির রহস্য এখানেই। যা উন্মোচিত হল বুধবার সন্ধেয় মায়া আর্ট স্পেসে। অতুলপ্রসাদ জীবনের সমস্ত দুঃখ কষ্ট জয় করে শেষমেশ কোথায় পৌঁছালেন! এই অনন্ত গতিধারা ধ্বনিত হল প্রখ্যাত সাহিত্যিক রঞ্জন বন্দ্যোপাধ্যায় এবং সঙ্গীতশিল্পী ঋদ্ধি বন্দ্যোপাধ্যায়ের যুগলবন্দিতে। অতুলপ্রসাদের জীবন যেন দহনে পোড়া। একটা দগদগে ক্ষত সারাজীবন তাঁকে হনন করেছে। আর সেখানেই তিনি খুঁজে পেয়েছেন সৃষ্টির চূড়ান্ত রহস্য। একসময় রবীন্দ্রনাথও তাঁর বাড়িতে গেছেন গান শুনতে।  

মায়া অ্যাট আড্ডার ছিল চব্বিশতম সন্ধে। এইদিন আড্ডার বিষয় ছিল 'প্রণয়ে ও বিরহে অতুলপ্রসাদ'। অতুলপ্রসাদের এই প্রণয়গাথাটি রচনা করেছেন রঞ্জন বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে রঞ্জনবাবুর কথায়, এই লেখার সৌজন্য এবং প্রেরণা ঋদ্ধি বন্দ্যোপাধ্যায়। ঋদ্ধি ইতিমধ্যেই পঞ্চকবি-দের নিয়ে গবেষণাধর্মী কাজ করেছেন। সেই কাজ ছড়িয়ে পড়েছে দেশে ও বিদেশে। এই পঞ্চকবির একজন অতুলপ্রসাদ সেন। মূল স্ক্রিপ্ট এগিয়ে যাচ্ছিল অতুলপ্রসাদের গানের সুর ধরে। ঋদ্ধি বন্দ্যোপাধ্যায়ের কণ্ঠে আরেকবার ফিরে পাওয়া গেল প্রিয় এবং প্রায় হারিয়ে যাওয়া অতুলপ্রসাদকে। অসাধারণ পাঠে গভীরভাবে মন ছুঁলেন রঞ্জন বন্দ্যোপাধ্যায়। মাত্র পঞ্চাশ মিনিটের পাঠে যেন একটা অনন্ত জীবন সামনে চলে এল। ধাক্কা দিল। মায়া অ্যাট আড্ডার পঁচিশতম পর্ব হতে চলেছে আগামী বুধবার। উপস্থিত থাকবেন শ্রীজাত এবং জয় সরকার।
 

Developed by DXDasia