
লাভজনক বেত চাষের গুরুত্ব ক্রমেই বাড়ছে
বেত থেকে তৈরি হয় ধামা, কুনকে, ব্যাগ, আসবাবপত্র এবং অনেক প্রয়োজনীয় জিনিস। সুস্বাদু খাবার বানানো যায় বেতের ফল দিয়ে। বেত চাষে খরচ কম। জমিতে বেশি জল জমলে বা পোকামাকড়ের উপদ্রবে বেতগাছের কোনো ক্ষতি হয় না। লাভজনক হওয়ায় রাজ্যের কৃষকদের মধ্যে বেত চাষ ক্রমেই জনপ্রিয় হচ্ছে।
নিচু জমি বেত চাষের পক্ষে বিশেষ উপযোগী। এঁটেল আর দোআঁশ মাটিতে বেতগাছের ফলন ভালো হয়। বর্ষার সময়ে বেতের চারা রোপণ করার তিন-চার বছর পর বেতগাছ কাটার উপযোগী হয়ে ওঠে। সুবিধে হল, গাছের আশপাশ থেকে আবার বেরোতে থাকে নতুন চারা। তবে বেতগাছের জমিতে আগাছা যাতে বাড়তে না পারে, তার জন্য নজর দেওয়া বিশেষ জরুরি। নইলে আগাছা লেগে দাগ হয়ে যেতে পারে বেতের গায়ে।
উত্তরবঙ্গে চাষ করা বেত থেকে বানানো শীতলপাটি, ডালাপাটি, মোটাপাটি রপ্তানি হয় দেশে বিদেশে। অতিরিক্ত আয়ের সম্ভাবনা থাকায় বহু কৃষক এখন বিকল্প চাষ হিসেবে বেতের দিকে ঝুঁকছেন।
