
ময়নাতদন্তের পর প্রদ্যুম্নের শরীরে কোনও শারীরিক নিগ্রহের চিহ্ন মেলেনি
রায়ান ইন্টারন্যাশানাল স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণীর ছাত্র প্রদ্যুম্ন ঠাকুরের খুনের রহস্য আরও ঘনীভূত হয়ে উঠছে। গ্রেপ্তার হওয়া বাস কন্ডাক্টর অশোক কুমারই খুনি, না আর কারও হাত আছে এই খুনের পিছনে – এটাই এখন মূল প্রশ্ন। পুলিশের বিশেষ তদন্তকারী দল ‘সিট’-এর সন্দেহ তৃতীয় কোনও ব্যক্তির দিকে।
অশোক যে বাসের কন্ডাক্টর, সেই বাসের চালক সৌরভ রাঘব জানান, প্রদ্যুম্ন’র ওপর আক্রমণের খানিক পরেই ঘটনাস্থলে গিয়ে তিনি দেখেন, অশোকের শার্ট রক্তে ভেজা। সৌরভের কথায়, ‘কন্ডাক্টর আমাকে বলে, আহত প্রদ্যুম্নকে স্কুল কর্তৃপক্ষ গাড়িতে তুলে দিতে বলেছিলেন। সেটা করতে গিয়েই ওর শার্টে রক্ত লেগে গিয়েছে।’ অশোক ও স্কুল কর্তৃপক্ষ উভয়েই তাঁকে জানান, শৌচাগারে পড়ে গিয়ে জখম হয়েছে প্রদ্যুম্ন। কিন্তু তার দেহ শৌচাগারের ভিতরে পাওয়া গেছে না বাইরে – ধন্দ তা নিয়েও। থানার তরফ থেকে জোর করে বয়ান দেওয়ানোর অভিযোগও এনেছেন সৌরভ রাঘব।
এদিকে, ময়নাতদন্তের পর প্রদ্যুম্নের শরীরে কোনও শারীরিক নিগ্রহের চিহ্ন মেলেনি। ফলে খারিজ হয়ে গেল যৌন সম্পর্কে বাধা পেয়ে শিশুহত্যার তত্ত্ব। কিন্তু অশোক নিজেই স্বীকার করেছিল শারীরিক সম্পর্ক স্থাপনে বাধা পেয়ে খুন করার কথা। তাহলে সেই স্বীকারোক্তি কোনও চাপের মুখে বা পুলিশের অত্যাচারে কিনা, প্রশ্ন উঠছে তা নিয়েও।
