
এর আগে ২০০৫ সালে সিকিমের চড়াই-উৎরাই ভেঙ্গে চীন সীমান্তের নাথুলা গিয়েছিলেন তাঁরা
শারীরিক প্রতিবন্ধকতা সত্ত্বেও পাহাড়চূড়ায় ওঠার সাহস রাখেন তাঁরা। এর আগে ২০০৫ সালে সিকিমের চড়াই-উৎরাই ভেঙ্গে চীন সীমান্তের নাথুলা গিয়েছিলেন। আর এবার সিকিমেরই ১৭৮০০ ফুট উচ্চতায় গুরুডুংমায় অভিযান চালালেন তাঁরা। বাপি দে, রতন রায়, সাধন সরকার ও জগদীশ রায়। কারোর দুটি পা-ই নেই, কারোর আবার একটি পা পোলিওতে ক্ষতিগ্রস্ত। কারোর ডান হাতের পাঁচ আঙুল অনুপস্থিত তো আরেকজনের ডান হাত অসাড়। ত্রিশ থেকে চল্লিশ বছর বয়সী এই অভিযাত্রীদের একজন ট্রাইসাইকেল ও অন্য তিনজন সাইকেলে পাড়ি দিলেন আজ।
চারজনই শিলিগুড়ির বাসিন্দা। অভিযাত্রী দলের নেতা বাপি দে বলেন, ‘আমরাও পারি। ট্রাই সাইকেল আর সাইকেল নিয়েই আমরা পাহাড়ি স্থানে যাব।’ শিলিগুড়ি বাড়িভাসা নেতাজি সুভাষ ওয়েলফেয়ার সোসাইটির সহযোগিতায় তাঁরা যাত্রা শুরু করেছেন রবিবার। অভিযাত্রীদের সাহায্যের জন্য অ্যাম্বুলেন্সেরও ব্যবস্থা করা হয়েছে সোসাইটির পক্ষ থেকে। তাঁদের উদ্যমকে কুর্নিশ জানিয়ে সাফল্যের অপেক্ষাতেই এখন দিন গুনছেন সবাই।
