সোমনাথ চক্রবর্তী তাঁর ফ্রেমে বুনে দিতে চান মানুষের গল্প

বঙ্গদর্শনের গ্যালারি। সোমনাথ চক্রবর্তীর সাতটি ফ্রেমের ছবিমহল…

আমাদের এই শিকল বাঁধা জীবনে যদি কিছু অবকাশ নিজের কাছে চেয়ে নিজের জন্যই বেরিয়ে পড়া যায়? হাঁটতে হাঁটতে দৃশ্য ভাসছে। চোখের আরামে ধুয়ে যাচ্ছে মানুষ-মানুষীর গল্প। আর সেই গল্পদের ফ্রেমে স্মৃতি করে রাখা অভ্যাস হয়ে উঠছে। আলোকচিত্রী সোমনাথ চক্রবর্তী বারবার মানুষের গল্পই বুনতে চান তাঁর ছবিতে। বাস দক্ষিণ চব্বিশ পরগণা জেলার আমতলায়। পেশায় একজন গ্রাফিক ডিজাইনার। তিনি বলেন, “আমি আমার দর্শনের গল্পটাই বলতে চাইছি। যেটা আমি রিলেট করছি, সেটাই একটা ফ্রেমে ধরে রাখার চেষ্টা করছি।” বঙ্গদর্শনের ছবিমহল বিভাগ এর আগেও সমৃদ্ধ হয়েছে বাংলার ছবিওয়ালাদের ছবিতে। আজ রইলেন সোমনাথ চক্রবর্তী। আসুন, গ্যালারি ঘুরে দেখি… 


 “সন্ধেবেলা মাছেরা তারার পিছনে ছুটে ছুটে ভাবত এটাই আকাশ” 

 


 “জলই জলকে ধরে রাখে, আর কেউ তা পারে না”

 


 “দিঘির থমকে থাকা স্রোতে প্রত্যেক কর্দমষষ্ঠীতেই অন্তত একটি করে চোখ ওল্টানো ধড়হীন মুণ্ডু ভেসে ওঠে”

 


 “আমি অসময়ে এসে ডুবন্ত ঈশান কোণে ওঁর অসম্বন্ধ দাঁতে হাসি ঐ উনুনের মতো চাঁদ দেখি” 

 


 “না-শোঁকা বইয়ের পাতা রোজ খুলে যায়” 

 


 “অক্ষরের আত্মা ফুটে ওঠে- ছবি নেই বই নেই” 

 


 “কেবল কাতর পিতা- তুলো ফুল অপরাহ্নে শান্ত বর্ষা চেয়ে বাড়ি ফিরে দেখলেন জানালার পর্দাগুলো খোলা” 

 

ঋণ- কবি দেবারতি মিত্র

Developed by DXDasia