
কলকাতা পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, থানা থেকে সেই ব্যক্তির সঙ্গে যোগাযোগ রাখা হবে
লকডাউনে চাকরি হারানো মানুষের সংখ্যা নেহাত কম নয়। আত্মহত্যার সংখ্যাও বাড়ছে দিন দিন। তেমনই এক ঘটনা ঘটেছে খাস কলকাতায়। না, জীবন চলে যায়নি। গোটা একটা পরিবারের পাশে দাঁড়াল কলকাতা পুলিশ।
এক ব্যক্তির, স্ত্রী এবং বারো বছরের সন্তানকে প্রতিপালন করার ক্ষমতা নেই লকডাউনে চাকরি হারানোর পর। আত্মহত্যা ছাড়া তাই আর কোনও পথ নেই তাঁর কাছে। অতএব আত্মহত্যা। বুধবার সকাল সাড়ে দশটা নাগাদ একথা জানিয়ে ‘ডায়াল ১০০’-তে ফোন করেন ১৯, আলিপুর রোডের সেই ব্যক্তি, বলেন, নিজের বাড়িতেই আত্মঘাতী হতে চলেছেন তিনি।
কলকাতা পুলিশের কন্ট্রোল রুম সঙ্গে সঙ্গে এই খবর পৌঁছে দেয় আলিপুর থানায়, এবং দ্রুত ঐ ব্যক্তির বাড়িতে পৌঁছে যান সাব-ইনস্পেকটর মানস গোস্বামী। পৌঁছে দেখেন, নিজের এক কামরার ঘরে একা বসে অঝোরে কেঁদে চলেছেন সেই ব্যক্তি।
তাঁর সঙ্গে কথা বলে মানস গোস্বামী জানতে পারেন, ড্রাইভারের কাজ করতেন সেই ব্যক্তি। কিন্তু সেই চাকরি বেশ কয়েকমাস হল গেছে। স্ত্রী এবং বারো বছরের পুত্রকে রেখে এসেছেন ঠাকুরপুকুরে তাঁর শ্বশুরবাড়িতে। বুধবার সকালে মানসিক যন্ত্রণা সহ্য করতে না পেরে আত্মহত্যার সিদ্ধান্ত নেন। আলিপুর থানায় নিয়ে যাওয়া হয় তাঁকে, কিছু খেতেও দেওয়া হয়। পাশাপাশি চলে কাউন্সেলিং। কিছুটা ধাতস্থ হলে তাঁর এক ভাইয়ের হাতে তুলে দেওয়া হয় সেই ব্যক্তিকে।
কলকাতা পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, থানা থেকে তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ রাখা হবে, যাতে অবসাদ থেকে বেরিয়ে আসতে পারেন তিনি।