
সরকারি ও ব্যক্তিগত উদ্যোগে সংরক্ষিত হচ্ছে শহর কলকাতা ও শহরতলির কয়েকটি দুর্গাপ্রতিমা
পুজোর পরেও দেখা যাবে শ্রেষ্ঠ কিছু দুর্গাপ্রতিমা। সরকারি ও ব্যক্তিগত উদ্যোগে সংরক্ষিত হচ্ছে শহর কলকাতা ও শহরতলির কয়েকটি দুর্গাপ্রতিমা। এবছর শিল্পী ভবতোষ সুতার মেহগনি কাঠ দিয়ে দুর্গাপ্রতিমা বানিয়েছিলেন। এই মূর্তিটি রাখা হচ্ছে ইকো পার্কে।
শিল্পী ভবতোষ সুতার ব্যক্তিগত উদ্যোগে সংরক্ষণ করছেন টেরাকোটার দুর্গামূর্তি। আমতলা সিংহী মোড়ের বৈদ্যবাগান নবপল্লীবাসীবৃন্দ-র এই প্রতিমাটি তৈরি করেছিলেন বাঁকুড়া পাঁচমুড়ার প্রবীণ শিল্পী বিশ্বনাথ কুম্ভকার। প্রায় ৬ ফুট উঁচু টেরাকোটার এই মূর্তিটি রাখা হবে বড়িশায় শিল্পীদের সংগঠন চাঁদের হাটের কর্মশালায়।
গত ক’বছরের মতো এবারও রবীন্দ্র সরোবর লাগোয়া গ্যালারিতে সংরক্ষিত হচ্ছে কলকাতার নজরকাড়া কয়েকটি প্রতিমা। ‘ফিরে দেখা’ গ্যালারিটি বর্তমানে নবরূপে সাজাবার কাজ চলেছে। এ বছর সম্ভবত কোনও মাটিতে তৈরি প্রতিমা সংরক্ষণ করা হচ্ছে না। চারটি ফাইবারের দুর্গামূর্তি সংরক্ষণের জন্য বাছাই করা হয়েছে। জগৎ মুখার্জি পার্ক, শিবমন্দির, বুড়োশিবতলা ও বড়িশা উদয়ন পল্লীর প্রতিমা চারটি এখানে সংরক্ষণের জন্য প্রাথমিক ভাবে নির্বাচিত হয়েছে। রাজস্থান থেকে আনা বেলেপাথরের টুকরো খোদাই করে হরিদেবপুরের বিবেকানন্দ পার্ক অ্যাথলেটিকের জন্য দুর্গামূর্তি গড়েছিলেন শিল্পী সুধীর মাইতি।
