পুকুরেই বিপুল মুক্তোচাষ: নতুন স্বপ্ন দেখছেন পূর্ব মেদিনীপুরের মানুষ

রাজ্য কৃষি দপ্তর মুক্তো-চাষের প্রশিক্ষণও দিচ্ছে যুবক-যুবতীদের

পুকুরেই হচ্ছে মুক্তোচাষ। এক্কেবারে দেশীয় পদ্ধতিতে। সাহায্য মিলছে রাজ্য সরকারের থেকেও। পূর্ব মেদিনীপুরের হলদিয়া, কোলাঘাট, নন্দীগ্রাম ২, পাশকুঁড়ার মতো ব্লকে যুবক-যুবতীদের সামনে অর্থোপার্জনের নতুন দিশা খুলে দিয়েছে এই মুক্তোচাষ।

মুক্তোচাষের প্রাথমিক শর্ত হল ঝিনুকের সহজলভ্যতা। পূর্ব মেদিনীপুরের এইসব অঞ্চলে ঝিনুক বিপুল পরিমাণেই মেলে। বাংলার খালে-বিলে জন্ম নেওয়া এই ঝিনুকের কদর সারা দেশেই অত্যন্ত বেশি। পুকুরে দেশীয় পদ্ধতিতে সেই ঝিনুকের পেটেই মুক্তো চাষ করছেন পূর্ব মেদিনীপুরের যুবক-যুবতী-মধ্যবয়স্করা। ‘আত্মা’ প্রকল্পের আওতায় রাজ্য কৃষি দপ্তরের পক্ষ থেকে ১৫০ জন যুবক-যুবতীর প্রশিক্ষণের ব্যবস্থাও করা হয়েছে। মিলছে অন্যান্য সুযোগ-সুবিধাও। ফলে, পুরোদমেই শুরু হয়েছে মুক্তোর চাষ।

এই মুহূর্তে গয়না শিল্পে মুক্তোর চাহিদা বিপুল। মাত্র ৮-৯ মাসের মধ্যেই মুক্তো চাষ থেকে লাভ উঠে আসতে পারে ঘরে। খরচও বেশ কম। তাছাড়া, পুকুরে চাষ করা হলেও এই মুক্তোর গুণমান উন্নতমানের। ফলে, মুক্তোচাষকে ঘিরে নতুন স্বপ্ন দেখতে শুরু করেছেন পূর্ব মেদিনীপুরের মানুষরা।  
 

Developed by DXDasia