
কেন্দ্র চাইছে উঁচু মানের মিড-ডে মিল, রাজ্য বলছে বরাদ্দ বাড়াও
আর্থিক বরাদ্দ না বাড়িয়ে স্কুলের মিড ডে মিলের খাবারের মান বাড়ানোর নির্দেশ পেয়ে রীতিমতো ক্ষুব্ধ রাজ্য। নির্দেশে বলা হয়েছে মিড ডে মিলকে এফএসএসএআই বা ফুড সেফটি অ্যান্ড স্ট্যান্ডার্ডস অথরিটি অব ইন্ডিয়ার নির্ধারিত মানের হতে হবে। অর্থাৎ খাবারে থাকতে হবে ডবল ফর্টিফায়েড (আয়রন এবং আয়োডিনসহ) নুন এবং আয়রন, ফলিক অ্যাসিড এবং ভিটামিন বি ১২ সমৃদ্ধ আটার ব্যবহার আবশ্যিক করা হচ্ছে। ভোজ্য তেলেও ভিটামিন এ এবং ডি ঠিক ঠাক থাকতে হবে। পাশাপাশি আয়রন সমৃদ্ধ শাকসবজি যেমন পালং, সজনে ডাঁটা প্রভৃতি মিড ডে মিলে রাখার কথা বলা হয়েছে। স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত হয় এমন আয়রন সমৃদ্ধ সবজিও মিড ডে মিলের সঙ্গে ছাত্র ছাত্রীদের দিতে বলা হয়েছে।নিচু ক্লাসে ছাত্র ছাত্রীরা যারা পিছিয়ে পড়ছে, কেন্দ্র মনে করছে এর একটা কারণ অপুষ্টি। তাই এই নিদান। কিন্তু টাকা কোথা আসবে? শিক্ষকদের বক্তব্য, এসবই ভালো কথা। এসব কারও অজানা নয়। তবে এর জন্য বাড়তি অর্থ বরাদ্দ করতে হবে।তা না করে এই সব নির্দেশ অর্থহীন বলে মন্তব্য করেন শিক্ষা দফতরের এক আধিকারিক।
স্কুল, মাদ্রাসা, এসএসকে এবং এমএসকে মিলিয়ে কয়েক কোটি ছাত্রছাত্রী মিড ডে মিলের আওতায় রয়েছে। তাদের সুষম খাদ্য পৌঁছে দিতে গেলে যে পরিমাণ অর্থের প্রয়োজন, তা কেন্দ্রের কাছ থেকে মেলে না। প্রাথমিক ও উচ্চ প্রাথমিক স্তর মিলিয়ে গড়ে মাথাপিছু চার টাকার কিছু বেশি দিয়ে আর কতটুকুই বা মানরক্ষা করা সম্ভব, বললেন শিক্ষক সংগঠনের এক নেতা।
