
অভিযোগ মেনে নিল এনএফ রেল কর্তৃপক্ষ, পদক্ষেপ গ্রহণের আশ্বাস
কলকাতার পর এবার নিউ জলপাইগুড়ি স্টেশন। স্টেশনের বেশিরভাগ রেলের বোর্ডেই নেই বাংলাভাষা। মাতৃভাষাকে উপেক্ষার এই ছবি মানতে পারেননি ওঁরা। শিলিগুড়ির বঙ্গীয় নাগরিক পরিষদের সদস্যরা তাই এবার পথে নামলেন। তাঁদের দাবি, কেন্দ্রের ত্রিভাষা নীতি মেনে বোর্ডগুলিতে বাংলাভাষা থাকা আবশ্যিক। স্টেশন কর্তৃপক্ষের কাছে এই মর্মে লিখিত দাবিও পেশ করেন ধ্রুবকুমার সরকার, অনিলচন্দ্র রায়, আশিস ঘোষ, বিশ্বজিৎ নাথরা। তাঁদের দাবি প্লাটফর্মের টিকিট কাউণ্টার থেকে ট্রেনের সময়সারণী, শিশু ও নাগরিকদের জন্য হেল্পলাইন এবং মোবাইল চার্জিং পয়েন্টের বোর্ড সহ অন্যান্য জায়গায় আবশ্যিকভাবে বাংলায় লিখতে হবে। তাঁদের দাবির ন্যায্যতা মেনে নিয়ে এনএফ রেলের সিনিয়র এরিয়া ম্যানেজার পার্থ শীল বলেন, যেখানে বাংলা নেই, সেখানে অবিলম্বে বাংলা ব্যবহার করা হবে।
কেবল স্টেশনেই নয়, তাঁদের অভিযোগ, শিলিগুড়ির বিভিন্ন শপিংমল সহ বহু জায়গাতেই দুয়োরানী বাংলাভাষা। এর প্রতিবাদে নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে লড়াই করছে বঙ্গীয় নাগরিক পরিষদ। তাঁদের স্মারকলিপি দেওয়ার পর অনেক জায়গাতেই চালু হয়েছে বাংলায় সাইনবোর্ড লেখা।
বঙ্গীয় নাগরিক পরিষদের সঙ্গে গলা মিলিয়ে আন্তর্জাতিক ভাষা ও সংস্কৃতি সমিতির তরফে সজলকুমার গুহ বলেন তারাও শিলিগুড়ি এবং তার আশপাশে বাংলা ভাষার ব্যবহারকে বাড়ানোর জন্য আন্দোলন করছেন। মানুষকে সচেতন করে তোলার কাজ চলছে জোর কদমে। তবু এখনও অনেকে উদাসীন। তাই আশিসবাবুরা বলছেন, লড়াইয়ের পথ এখনও দীর্ঘ।
