
রবীন্দ্র সরোবরের বিকল্প হিসেবেই প্রস্তুত করা হয়েছে এই ঘাটগুলিকে
আসছে শনিবারই ছটপুজো। সেই উপলক্ষে ১৫টি ঘাটের বন্দোবস্ত করল কেএমডিএ এবং কলকাতা পুরসভা। সিমেন্ট বাঁধানো ঘাটগুলোকে আলো দিয়ে সাজানো হয়েছে। পোশাক পরিবর্তনের জন্য রয়েছে আলাদা ঘর। জলাশয় চত্বরগুলি পরিচ্ছন্ন রাখতে থাকছে ব্যবস্থা।
পাটুলি ও নোনাডাঙার ঝিলে তৈরি করা হয়েছে ৪টি নতুন ঘাট। বুধবার সেগুলির উদ্বোধন করতে গিয়ে মহানাগরিক ফিরহাদ হাকিম বলেন, “জাতীয় পরিবেশ আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী রবীন্দ্র সরোবরে ছটপুজো করা যাবে না। তাই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে আমরা চোদ্দো-পনেরোটি ঘাট বানিয়েছি”।
এই ৪টি ঘাটের পাশাপাশি যোধপুর পার্ক জলাশয়, বিজয়গড়ের ১০ নম্বর পুকুর, লায়েলকা পুকুর, গলফগার্ডেনের রামধন পার্ক, গোবিন্দন কুট্টি জলাশয়, মাদারতলা ঝিল, সাউথ সিটির কাছে কাটজুনগর পুকুর, রুবি হাসপাতালের উল্টোদিকের জলাশয়, তারাতলা নেচার পার্ক, রিজেন্ট এস্টেটের নব বৃন্দাবন ঝিলকেও সাজিয়ে তোলা হয়েছে। দক্ষিণ কলকাতা পণ্ডিতিয়ায় বানানো হয়েছে কৃত্রিম জলাশয়। কালীপুজোর বিসর্জন শেষ হলে ঘাটগুলি পরিদর্শন করবেন মেয়র পারিষদ (উদ্যান) দেবাশিস কুমার।
এছাড়া, পুরসভা কলকাতার পার্ক এবং জলাশয়গুলোকে নতুনভাবে সাজিয়ে তোলার উদ্যোগ নিয়েছে ইতিমধ্যেই। মহানগরের সৌন্দর্যায়নে এই উদ্যান ও জলাশয়গুলি এক নতুন মাত্রা যোগ করেছে।
