
এবার বিশেষ মিউজিয়াম তৈরি করার পরিকল্পনা নিয়েছে দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলা প্রশাসন
জনসংখ্যার দিক থেকে পশ্চিমবঙ্গের সব থেকে বড়ো মেলা হল গঙ্গাসাগর। প্রতি বছর এখানে প্রায় পাঁচ লক্ষ মানুষ আসেন তীর্থ করতে। কিন্তু, গঙ্গাসাগর মেলার সূচনা হয় কত সালে, পুণ্যভূমিতে সেকাল আর একালের ফারাকই বা কতটা, এমনই সব প্রশ্নের উত্তর অনেকেরই অজানা। তাই এই মেলার যাবতীয় খুঁটিনাটি তথ্যকে এক ছাতার তলায় এনে গঙ্গাসাগর মেলা প্রাঙ্গণে এবার বিশেষ মিউজিয়াম তৈরি করার পরিকল্পনা নিয়েছে দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলা প্রশাসন। ইতিমধ্যেই তথ্য সংগ্রহের কাজ শুরু হয়েছে। আগামী বছর গঙ্গাসাগর মেলায় এটাই হতে পারে অন্যতম আকর্ষণ।
গতবার এই মেলায় পুণ্যার্থীদের জন্য নতুন চমক হিসেবে ই-স্নান বেশ জনপ্রিয় হয়েছিল। এবার তাই নতুন পরিকল্পনা হিসেবে এই মিউজিয়ামকে তুলে ধরতে চাইছেন প্রশাসনের কর্তারা। মেলা অফিসের পাশে যেখানে কন্ট্রোল রুম হয়, তার পাশেই এই মিউজিয়াম করার ভাবনা। জানা যাচ্ছে, গঙ্গাসাগর মেলার বিভিন্ন জানা-অজানা তথ্য ছবির মাধ্যমে তুলে ধরা হবে। আপাতত বিগত ৩০ বছরের ইতিহাসকে লিপিবদ্ধ করা হয়েছে। তার আগের তথ্য সংগ্রহের কাজ চলছে। কপিলমুনি মন্দিরের ইতিহাস, কীভাবে এই মেলার প্রতিষ্ঠা হয়েছিল ইত্যাদি বিষয় থাকবে এখানে। এছাড়াও জেলা প্রশাসন এই মেলাকে ঘিরে কখন কী পদক্ষেপ নিয়েছিল, সেই সব তথ্যও ফুটিয়ে তোলা হবে।
প্রসঙ্গত, গঙ্গাসাগর মেলাকে বিশ্বের দরবারে পৌঁছে দিতে অনলাইন ব্যবস্থাকে আরও প্রসারিত করতে চলেছে জেলা প্রশাসন। তবে এবারও করোনা বিধি মেনেই মেলা হবে।
