
ফাইলগুলি পাঠানো হয়েছে জাতীয় মহাফেজখানায়
নেতাজি সংক্রান্ত ৩০৪টি ফাইল পাঠানো হল জাতীয় মহাফেজখানায়। তার মধ্যে ৩০৩টি ফাইল আপলোড করা হয়েছে অনলাইনে। এরকমই জানালেন কেন্দ্রীয় সংস্কৃতি ও পর্যটন মন্ত্রী প্রহ্লাদ সিং প্যাটেল।
বেশ কয়েক বছর আগেই রাজ্য সরকার নেতাজি সংক্রান্ত ৬৪টি ফাইল প্রকাশ করেছিল রাজ্য সরকার। সেই ফাইলগুলি মানিকতলায় কলকাতা পুলিশের মিউজিয়ামে গিয়ে যে কেউ দেখতে পারেন। কেন্দ্রীয় সরকারও বেশ কিছু নেতাজি সংক্রান্ত ফাইল প্রকাশ করে। তবে সব ক’টি গুরুত্বপূর্ণ ফাইল কেন্দ্রীয় সরকার প্রকাশ করেনি। বাকি ফাইলগুলি দাবিগুলো প্রকাশ্যে আনার দাবি ক্রমেই জোরালো হচ্ছিল।
এরই মধ্যে সোমবার লোকসভায় কেন্দ্রীয় সংস্কৃতি ও পর্যটন মন্ত্রী লিখিতভাবে জানালেন, সরকারের কাছে থাকা নেতাজি ও আজাদ হিন্দ ফৌজ সংক্রান্ত ৩০৪টি গোপন ফাইল জাতীয় মহাফেজখানায় পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। তার মধ্যে ৩০৩টি ফাইল আপলোড করে দেওয়া হয়েছে নেতাজি ওয়েব পোর্টালে। www.netajipapers.gov.in ওয়েবসাইটে গিয়ে যে কেউ সেগুলি পড়তে পারবেন। যদিও, এই ফাইলগুলিতে এমন কোনো তথ্য নেই, যেগুলি নেতাজির মৃত্যুরহস্যের ওপর আলোকপাত করতে পারে।
তবে, প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরের সঙ্গে জাপান সরকারের কূটনৈতিক স্তরের যে আলোচনা হয়েছে, তাতে রেনকোজি মন্দিরে সংরক্ষিত চিতাভস্মের প্রসঙ্গ উঠেছে বলে জানা গেছে। রেনকোজি মন্দিরের চিতাভস্মের ডিএনএ পরীক্ষা করানোর জন্য দুই দেশের প্রতিনিধিদের নিয়ে উচ্চ পর্যায়ের কমিটি গঠিত হতে পারে। সেই চিতাভস্মের ডিএনএ পরীক্ষা করানো হতে পারে ইংল্যান্ড বা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মতো তৃতীয় কোনো দেশের ল্যাবরেটারিতে। অনেকে মনে করেন, জাপানের রেনকোজি মন্দিরে সংরক্ষিত অস্থিভস্ম আসলে নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর।
