স্বাধীন বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত ঘোষিত হয়েছিল আজকের দিনেই – পড়ুন সারাদিনের বাছাই খবর

দিনযাপনে বাছাই করা খবর

স্বাধীন বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত ঘোষিত হয়েছিল আজকের দিনেই

১৯০৫ সালে বঙ্গভঙ্গ আন্দোলনের সময় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বঙ্গমাতাকে উদ্দেশ্য করে লিখেছিলেন ‘‘আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালোবাসি’’ গানটি। বাউল গগন হরকরার গান “আমি কোথায় পাব তারে” থেকে এই গানের সুর উদ্ভুত হয়েছিল। ১৯৭১ সালের ১ মার্চ বাংলাদেশের ঢাকায় গঠিত হয় স্বাধীন কেন্দ্রীয় সংগ্রাম পরিষদ। ৩ মার্চ ঢাকার পল্টন ময়দানে অনুষ্ঠিত জনসভা শেষে এক ইশতেহারে এই গানকে বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত হিসাবে ঘোষণা করা হয়। তারপর ১৭ এপ্রিল মুজিবনগরে স্বাধীন বাংলাদেশের সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে এই গানের প্রথম দশ লাইন জাতীয় সংগীত হিসাবে গাওয়া হল। আজ ৩ মার্চ, ইতিহাসের পাতায় অত্যন্ত গর্বের একটি দিন। দুই বাংলার কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের এই গান আজও প্রাণিত করে বাংলাদেশ তথা ভারতবর্ষের জনগণকে।

এবার বাংলা থেকে ভুটান যাবেন রেলপথেও

এখন পশ্চিমবঙ্গে থেকে ভুটানে যেতে হলে বিমানপথ অথবা সড়কপথ ছাড়া গতি নেই। তবে, এবার রেলপথেও বাংলার সঙ্গে জুড়তে চলেছে ভুটান। কেন্দ্রীয় রেলমন্ত্রী পীযুষ গোয়েলের নেতৃত্বে এক প্রতিনিধিদল সম্প্রতি ভুটানে গিয়েছিলেন। সেখানকার আধিকারিকদের সঙ্গে তাঁদের আলোচনা হয়। জলপাইগুড়ির মুজনাই থেকে ভুটানের নিয়োনপালিং পর্যন্ত রেলপথ বসানো সম্ভব কিনা, তার সমীক্ষা করতে ভারত ও ভুটানের তরফে একটি শীর্ষস্তরের কমিটি গঠন করা হয়েছে। রেলপথে দেওয়ার জন্য ভুটান থেকে আগ্নেয়শিলা আনতে MOU স্বাক্ষরিত হয়েছে দু’দেশের মধ্যে। (ছবি-প্রতীকী) 

প্লাস্টিক বর্জ্য দিয়ে রাস্তা তৈরি হচ্ছে হাওড়ায়

রাস্তা তৈরির কাজে আবারও লাগানো হল ফেলে দেওয়া প্লাস্টিক। ইন্ডিয়ান রোড কংগ্রেসের নির্দেশিকা মান্য করে হাওড়া পুরসভা এলাকায় টাউনহলের সামনে এই কাজ শুরু হয় সোমবার। হাজির ছিলেন পুর-কমিশনার বিজিন কৃষ্ণ। এই রাস্তা তৈরি করতে প্রতি মিটারে ৪০ কেজি প্লাস্টিক ব্যবহার করা হচ্ছে। আইআইইএসটি-র গবেষক তথা অধ্যাপক তাপস রায়ের নেতৃত্ব পরীক্ষামূলকভাবে মোট ৪০৩ মিটার রাস্তা গড়ে উঠছে এখানে। এই পদ্ধতিতে পাথর কুচির সঙ্গে প্লাস্টিক মেশানোর পর বিটুমিনের প্রলেপ দেওয়া হয়। বিটুমিনের মধ্যে প্লাস্টিক থাকলে বৃষ্টি হলেও পিচ উঠে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে না। ফলে, রাস্তার স্থায়িত্ব বাড়ে, খরচও কমে।

গান্ধি স্মরণে রামকৃষ্ণ মিশন বিদ্যামন্দির

আজ থেকে ৯৯ বছর আগের কথা। সাল ১৯২১। স্বামী বিবেকানন্দের জন্মতিথিতে বেলুড় মঠে এসেছিলেন মহাত্মা গান্ধি। সেখানে একটি বক্তৃতায় গান্ধি বলেন, “আমি এখানে অসহযোগ আন্দোলন বা চরকা প্রচার করতে আসিনি। স্বামী বিবেকানন্দের জন্মদিন-অনুষ্ঠানে তাঁর পুণ্যস্মৃতির উদ্দেশে শ্রদ্ধা ও নমস্কার জ্ঞাপন করবার জন্যই আজ এখানে এসেছি।” তৎকালীন ভারতের যুব সমাজকে উদ্বুদ্ধ করেন, বলেন বিবেকানন্দের শিক্ষায় শিক্ষিত হতে। বেলুড় মঠের পাশেই রয়েছে বিবেকানন্দের স্বপ্নের প্রতিষ্ঠান রামকৃষ্ণ মিশন বিদ্যামন্দির। গান্ধিজির জন্মসার্ধশতবর্ষ উপলক্ষে রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ আয়োজন করেছে একটি আলোচনাচক্রের। বিষয় – ‘রিভিজিটিং গান্ধি ইন আওয়ার টাইমস’। আলোচিত হবে দেশের বর্তমান সংকটের কথা, গান্ধির আদর্শের কথা। বক্তব্য রাখবেন তপনকুমার চট্টোপাধ্যায়, মীরাতুন নাহার এবং আব্দুস সামাদ গায়েন। অংশগ্রহণ করবেন বিদ্যামন্দিরের এই বিভাগের অধ্যাপক ও ছাত্ররাও। আগামী ৪ মার্চ অনুষ্ঠিত হবে এই আলোচনাচক্র।
Developed by DXDasia