
দিনযাপনে বাছাই চার
আজকের দিনেই প্রথম কলকাতায় পদার্পণ করেন মাদার টেরিজা
আর্ত-পীড়িতের সেবায় জীবন উৎসর্গ করে সারা পৃথিবীর মন জিতে নিয়েছেন মাদার টেরিজা। তিনি জন্মেছিলেন পূর্ব ইউরোপে, কিন্তু, তাঁর কর্মজীবনের বেশিরভাগ অংশই কেটেছে ভারতে, বিশেষ করে কলকাতায়। কল্লোলিনীর বুকে তিনি গড়ে তুলেছেন ধর্মীয় দাতব্য প্রতিষ্ঠান ‘মিশনারিজ অফ চ্যারিটি’। আরও বেশ কিছু সেবামূলক প্রতিষ্ঠান তিনি স্থাপন করেছেন। ১৯৭৯ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার এবং ১৯৮০ সালে ভারতরত্ন সম্মানে ভূষিত করা হয় তাঁকে। খ্রিস্টধর্ম প্রচারে মাদার টেরিজার অবদান ভোলার নয়। ২০১৬ সালে পোপ ফ্রান্সিস তাঁকে ‘সন্ত’ উপাধি প্রদান করেন। মরণোত্তর এই উপাধি লাভের পর ক্যাথলিক গির্জায় তিনি ‘কলকাতার সন্ত টেরিজা’ নামে আখ্যায়িত হন। ৯১ বছর আগে ১৯২৯ সালে আজকের তারিখেই দরিদ্র এবং অসহায় মানুষদের সেবা করার উদ্দেশ্য নিয়ে কলকাতায় প্রথম পা রেখেছিলেন বিশ্বমানবতার মূর্ত প্রতীক মাদার টেরিজা।

উত্তরবঙ্গের মহিলা চা শ্রমিকদের এবার রঙিন মাছ চাষের পাঠ দেবে ‘বেনফিশ’
চা বাগানের মহিলা শ্রমিকরা শুধুমাত্র চা পাতাই তুল্বেন না, মাছও চাষ করবেন। এটিই হবে তাঁদের বিকল্প জীবিকা। এমনই এক উদ্যোগ নিয়েছে রাজ্য মৎস্য দপ্তরের ‘বেনফিশ’। তাঁদের মাছের চারা কিনে দেওয়া থেকে চাষের জন্য প্রয়োজনীয় পরিকাঠামো তৈরিতেও আর্থিক সাহায্য করছে বেনফিশ। এমনকি মাছ বড়ো হওয়ার পর কোথায় সেই মাছ বিক্রি করা হবে, সেই বাজারের সন্ধানও দেবে। উত্তরবঙ্গের মহিলা চা শ্রমিকদের আর্থিক অভাবের জন্যই এই ব্যবস্থা। যাতে সারাবছর তাঁদের জীবিকার জন্য অন্যত্র না যেতে হয়। ইতিমধ্যেই, গয়াগঙ্গা টি এস্টেটে সমবায় সমিতির সদস্যরা এই চাষ শুরু করেছেন। সমিতির নাম দিয়েছেন, ‘মাধবিলতা রঙিন মাছ চাষ মহিলা সমবায় সমিতি’।
নারী ও এলজিবিটিদের প্রতি ডিজিটাল হিংসা রুখতে মহানগরে আসছে দ্বিভাষিক ক্যালেন্ডার
চারপাশের বাস্তব জীবন থেকে ইন্টারনেট দুনিয়া বিচ্ছিন্ন তো নয়ই, বরং, ডিজিটাল মাধ্যমে হেনস্থা ও বিদ্বেষের নানান ঘটনা আকছাড়ই ঘটে থাকে। নারী এবং প্রথাবিরোধী লিঙ্গ-যৌন পরিচয়ের মানুষেরা যাতে ইন্টারনেটে কোনো হিংস্রতার শিকার না হন, সেই লক্ষ্য নিয়ে এবার আসছে একটি দ্বিভাষিক ক্যালেন্ডার। কলকাতার ‘এবং আলাপ’ এবং মুম্বাইয়ের ‘পয়েন্ট অফ ভিউ’-এর যৌথ উদ্যোগে এটি তৈরি হয়েছে। ৭ জানুয়ারি মঙ্গলবার মহানগরের রোটারি সদনে এই ক্যালেন্ডার প্রকাশ করবেন শিল্পী ঊর্মিমালা বসু। অনুষ্ঠান শুরু হবে বিকেল সাড়ে পাঁচটা থেকে। ক্যালেন্ডার প্রকাশের পর থাকবে শতাক্ষী নন্দীর উপস্থাপনায় নাটক ‘মেয়েদের খেলা’। দৈনন্দিন জীবন এবং ডিজিটাল দুনিয়ার ‘হাইপার-ম্যাসকুলিন’ পরিসরে মেয়েরা কীভাবে আছে, থাকে, এগোয় – তাই নিয়েই এই নাটক।

ডাকবাক্স থেকে সঠিক সময়ে চিঠি বাড়িতে পৌঁছানোর নতুন ব্যবস্থা চালু করছে ডাক বিভাগ
মেসেঞ্জার, হোয়াটস্যাপের যুগে প্রায় অচল হয়ে পড়ে আছে এই বাংলার ডাকবাক্সেরা। কত কত স্মৃতি সেখানে জমা করে রাখা আছে, অথচ সঠিক সময়ে সঠিক গন্তব্যে পৌঁছাতে পারছে না কত কত লেখা। এমনকি চাকরির পরীক্ষা বা ইন্টারভিউর দিন পেরিয়ে যাওয়ার অনেকদিন পর পৌঁছাচ্ছে অ্যাডমিট কার্ড। ডাকবাক্স থেকে সঠিক সময়ে চিঠি নিয়ে তা বিলি করা নিশ্চিত করতে নতুন ব্যবস্থা চালু করছে ডাক বিভাগ। বারাসত ডিভিশনের বিভিন্ন ডাকবাক্সে বার কোড লাগানোর কাজ ইতিমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। আধিকারিকদের দাবি, ডাকবাক্সে ফেলা সাধারণ চিঠি প্রাপকের কাছে পাঠানো নিশ্চিত করতেই নতুন এই ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে। নতুন এই ব্যবস্থায় সাধারণ চিঠিকে গুরুত্ব না দেওয়ার মানসিকতা বন্ধ হবে। চিঠি হারিয়ে যাওয়া, চিঠি সময়ে না পৌঁছনোর সমস্যারও সমাধান হবে। ইতিমধ্যে বারাসত ডিভিশনের ৭৬টি ডাকবাক্সে বার কোড লাগানো হয়েছে। ডাকবাক্সগুলি কোথায় কোথায় রয়েছে, তা ট্র্যাকও করা শুরু হয়েছে।
