
বিধায়ক তথা মন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেনের তত্ত্বাবধানে পুজো কমিটিগুলির সদস্যদের টিকাকরণ করা হচ্ছে
চন্দননগর আলোর শহর। প্রতিবছর জগদ্ধাত্রী পুজোকে কেন্দ্র করে সারা শহরটা সেজে ওঠে। কিন্তু কোভিডের দমকা হাওয়া দৈনন্দিন জনজীবনে থাবা বসিয়েছে। জীবনধারা পাল্টাতে হয়েছে মানুষকে। তবুও থেমে থাকেনি উৎসবের আমেজ। তবে একটু অন্যভাবে। সমস্তরকম করোনা বিধি মেনে যাতে চন্দননগরের জগদ্ধাত্রী পুজো কমিটিগুলি উৎসবে সামিল হতে পারে, তার জন্য কোভিড টিকাকরণ কর্মসূচি গ্রহণ করলেন চন্দননগরের মাননীয় বিধায়ক তথা তথ্য ও সংস্কৃতি এবং পর্যটন দপ্তরের মন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেন।
মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্যোগে এবং বিধায়ক-মন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেনের তত্ত্বাবধানে চন্দননগর পৌরনিগম ও হুগলি জেলা প্রশাসনের ব্যবস্থাপনায় শহরের ঐতিহ্যকে বজায় রাখতে এমন আয়োজন করা হয়েছে। জগদ্ধাত্রী পুজো পরিচালনাকে করোনার প্রতিকূল গ্রাস থেকে রক্ষা করতে এবং যাতে সব কিছুর মতো জগদ্ধাত্রী পুজোর গৌরব অক্ষুণ্ণ থাকে, তার জন্য পুজো কমিটিগুলির সদস্যদের টিকাকরণ করা হচ্ছে। চন্দননগর রবীন্দ্রভবনে ক্রমপর্যায়ে চলবে এই কর্মসূচি।
মাননীয় বিধায়ক ও মন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেন নিজে উপস্থিত থেকে এই টিকাকরণের সামগ্রিক দিক যত্ন নিয়ে সামলেছেন। সেইসঙ্গে আগামী দিনেও আগের মতো পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছেন।
টিকাকরণ কর্মসূচির এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন – চন্দননগর পুলিশ কমিশনারেট কমিশনার অর্ণব ঘোঘ, চন্দননগর সাব ডিভিশনাল অফিসার অয়ন দত্তগুপ্ত, চন্দননগর পৌরনিগমের কমিশনার স্বপন কুণ্ডু, চন্দননগর পৌরনিগমের সেক্রেটারি মানস কুমার মণ্ডল, চন্দননগর পুলিশ স্টেশনের অফিসার ইনচার্জ সৌমেন পাল, ভদ্রেশ্বর পুলিশ স্টেশনের অফিসার ইনচার্জ কৌশিক ব্যানার্জী-সহ প্রমুখ।
