
দিনযাপনে বাছাই করা খবর
ভিন রাজ্য থেকে ফেরা মানুষদের ওপর নজর রাখতে বেনজির উদ্যোগ রাজ্য সরকারের
ভিন রাজ্য থেকে দূরপাল্লার ট্রেনে বাড়ি ফিরেছেন বাংলার শ্রমিকরা। হাওড়া, শিয়ালদহ বা অন্য স্টেশনে সেই ট্রেনগুলি ঢুকলে যাত্রীদের স্ক্যানিং করা হয়েছে জেলাশাসক এবং স্থানীয় মহকুমা শাসকদের তত্ত্বাবধানে। গোটা বিষয়টির দায়িত্বে আছেন জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক। কারও শরীরের করোনার উপসর্গ দেখা দিলে তাঁকে সঙ্গে সঙ্গে পাঠানো হচ্ছে কোয়ারেন্টিন অথবা আইসোলেশনে। ভিন রাজ্য থেকে ফেরা সবাইকে ১৪ দিনের জন্য গৃহবন্দি থাকার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। সবার ঠিকানা স্টেশন থেকেই নিয়ে নিচ্ছে প্রশাসন। তাঁদের জন্য রাজ্য সরকার ‘ম্যান মার্কিং’-এর বন্দোবস্ত করেছে। তাঁরা আদৌ গৃহবন্দি আছেন কিনা, সেই ব্যাপারে নজর রাখছেন একজন করে সিভিক ভলান্টিয়ার। অন্য রাজ্য থেকে ফেরা কোনো ব্যক্তির শরীরে করোনার উপসর্গ দেখা দিয়েছে কিনা, প্রত্যেকদিন তিন বেলা তার খোঁজ নিচ্ছেন একজন করে ভিলেস রিসোর্স পার্সন এবং আশা কর্মী। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের পরামর্শেই এই উদ্যোগ নিয়েছে রাজ্য।

করোনা রুখতে পরিচ্ছন্নতায় গুরুত্ব দিচ্ছে কলকাতা পুরসভা
রাস্তাঘাট অপরিষ্কার থাকলে জীবাণুর ছড়িয়ে পড়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে। তাই মহানগরকে আবর্জনামুক্ত রাখতে বাড়তি উদ্যোগ নিচ্ছেন কলকাতা পুরসভার মেয়র ফিরহাদ হাকিম। যে ফুটপাথগুলি ব্যবহারের অযোগ্য, সেগুলির দিকেও নজর দেওয়া হয়। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে ২০টি স্প্রিংকলার দিয়ে ১২০ কিলোমিটার রাস্তা ধোয়া হচ্ছে কলকাতায়। দক্ষিণ দমদম পুরসভা, নিউ টাউন কলকাতা উন্নয়ন পর্ষদ এবং বিধাননগর পুরনিগমও রাস্তা সাফাইয়ে জোর দিচ্ছে।

করোনা থেকে পুলিশকে নিরাপত্তা দিতে ২ লক্ষ কিট কিনল রাজ্য সরকার
আজ বিকেল থেকে শুরু হয়ে গিয়েছে লক ডাউন। রাজ্যের কোথাও যাতে অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে, তাই সর্বদা পুলিশ সক্রিয় আছে। পুলিশকর্মীরাও যাতে করোনায় আক্রান্ত না হন, তার ব্যবস্থাও করেছে রাজ্য প্রশাসন। পুলিশের জন্য ইতিমধ্যেই ২ লক্ষ কিট কেনা হয়েছে। প্রত্যেক কিটে থাকছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা অনুমোদিত মাস্ক, গ্লাভস এবং স্যানিটাইজার। এছাড়া, পুলিশকর্মীদের মধ্যে যাতে করোনা ছড়িয়ে না পরে, তা সুনিশ্চিত করতে সচেতনতার ওপরও রাজ্য সরকার জোর দিয়েছে। কতটা দূর থেকে পুলিশরা কথা বলবেন, কীভাবে নিজেদের সুরক্ষিত রাখবেন – তার প্রচারও করা হয়েছে।
