
পশ্চিমবঙ্গে এই আবাস যোজনায় সাফল্যের হার ৯৭.৪৫ শতাংশ
রাজ্যের মুকুটে ফের নয়া পালক। এবার ‘বাংলার বাড়ি’ প্রকল্প কেন্দ্রীয় নগরোন্নয়ন মন্ত্রকের জিও ট্যাগিং রেটিংয়ে শীর্ষে উঠে এল। কেন্দ্রীয় নগরোন্নয়ন মন্ত্রক থেকে এই সাফল্যের কথা রাজ্য সরকারকে জানানো হয়েছে। নগরোন্নয়ন মন্ত্রকের দেওয়া হিসেবে পশ্চিমবঙ্গে এই আবাস যোজনায় সাফল্যের হার ৯৭.৪৫ শতাংশ। যা রেকর্ড ছুঁয়েছে। গুজরাটকে পিছনে ফেলে এগিয়ে গিয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাংলা।
এই প্রকল্পে শহরাঞ্চলে একটি বাড়ি তৈরি করতে খরচ হয় ৩ লক্ষ ৬৮ হাজার টাকা। যার মধ্যে কেন্দ্রীয় সরকার দেয় দেড় লক্ষ টাকা এবং রাজ্য সরকার দেয় ১ লক্ষ ৯৩ হাজার টাকা। দেখা গেছে, দেশের মধ্যে পশ্চিমবঙ্গই সবচেয়ে বেশি টাকা দিচ্ছে এই প্রকল্পে। পশ্চিমবঙ্গের পরেই রয়েছে ওড়িশা। সেখানকার সরকার বাড়ি বানাতে দেয় ১ লক্ষ ৬৭ হাজার টাকা। মধ্যপ্রদেশ ও উত্তরপ্রদেশ সরকার দেয় মাত্র এক লক্ষ টাকা করে।
কেন্দ্রীয় সরকারের দেওয়া হিসেব অনুযায়ী, পশ্চিমবঙ্গেই সবচেয়ে বেশি বাড়ি তৈরি হয়েছে এই প্রকল্পে। জিও ট্যাগিংয়ে এমনই তথ্য উঠে এসেছে। কেন্দ্রের দেওয়া পরিসংখ্যান বলছে, মোট ৩ লক্ষ ২৫ হাজার ৯৯৮টি আবেদন জমা পড়েছিল। তার মধ্যে গৃহীত হয়েছে ৩ লক্ষ ১৭ হাজার ৬৮২টি আবেদন। সাফল্যের হার ৯৭.৪৫ শতাংশ।
সাংবাদিক বৈঠকে মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন, “‘বাংলার বাড়ি’ প্রকল্প দেশের মধ্যে প্রথম। আমরা বহু মানুষকে বাড়ি বানিয়ে দিয়েছি। তবে ভবিষ্যতে বাড়ি তৈরির আগে ড্রোন দিয়ে সমীক্ষা করা হবে। তাতে পরিষ্কার হয়ে যাবে, কোন বাড়িতে ছাদ আছে, আর কোন বাড়িতে ছাদ নেই।”
