নভেম্বর থেকে মৈত্রী এক্সপ্রেসের প্রান্তিক স্টেশনেই অভিবাসন ও শুল্ক পরীক্ষা

এতদিন সীমান্তবর্তী স্টেশনে হত এই কাজ

কলকাতা ও ঢাকার মধ্যে চলাচলকারী মৈত্রী এক্সপ্রেসে প্রান্তিক স্টেশনে অভিবাসন ও শুল্ক পরীক্ষা আগামী ৩রা নভেম্বর থেকে শুরু হবে। এর আগে আগষ্টের শুরুতে এটি চালু হওয়ার কথা থাকলেও তা বাস্তবায়িত হয়নি। তবে এবার ভারত ও বাংলাদেশের রেল কর্তাদের বৈঠকে এই দিন চূড়ান্ত করা হয়েছে। গত ১৩ই সেপ্টেম্বর নয়াদিল্লিতে রেলভবনে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে কলকাতা-খুলনা ট্রেন চালানোর সময়সূচিও চূড়ান্ত করা হয়েছে। আগামী ১৬ই নভেম্বর থেকে এই ট্রেন চলবে। এর আগেও দু’দফায় তারিখ নির্ধারণ হলেও তা বাস্তবায়িত হয়নি।

ভারতীয় রেলওয়ে সূত্রে জানা গেছে, কলকাতা স্টেশনে এবং ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট স্টেশনে ৩রা নভেম্বর থেকে অভিবাসন ও শুল্ক পরীক্ষার কাজ সম্পন্ন হরা হবে। বহুদিন ধরেই যাত্রীরা এই দাবি জানিয়ে আসছিলেন। বর্তমানে সীমান্তবর্তী ভারতের গেদে এবং বাংলাদেশের দর্শনা স্টেশনে এই পরীক্ষার কাজ হয়। ফলে দুই ধারে পরীক্ষার জন্য তিন ঘন্টারও বেশি সময় ব্যয় হয়। যে কারণে যাত্রীরা হয়রানির শিকার হন। প্রথম দিকে অবশ্য প্রায় ৫ ঘন্টা সময় ব্যায় হত। পরবর্তী সময়ে দুই দেশের রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ আলোচনার মাধ্যমে সময় কমিয়ে আনেন। কিন্তু ট্রেন যাত্রার মাঝপথে তিন ঘণ্টা আটকে থাকতে হয় বলে তাঁরা ক্ষোভ প্রকাশও করেছেন। দুই দেশের সরকারের কাছে বিষয়টি বিবেচনার জন্য তোলা হয়েছিল। তবে দুই প্রান্তিক স্টেশনে পরিকাঠামো গড়ে তোলার জন্যই বারেবারে তারিখ চূড়ান্ত করেও তা পিছিয়ে দিতে হয়েছে বলে জানিয়েছেন পূর্ব রেলওয়ের এক কর্তা। বর্তমানে ঢাকা ও কলকাতার মধ্যে ছয় দিনই মৈত্রী এক্সপ্রেস চলছে। ট্রেনের টিকিটের চাহিদাও বেড়ে গিয়েছে। ফলে অনেককেই টিকিট পেতে সমস্যার মুখোমুখি হতে হচ্ছে। সেই সঙ্গে কলকাতার ফেয়ারলি প্লেস ছাড়া অন্য কোনও জায়গায় মৈত্রী এক্সপ্রেসের টিকিট বিক্রি না হওয়ায় যাত্রীরা বিভিন্ন সময়ে ক্ষোভ জানিয়েছেন।

Developed by DXDasia