
দিনযাপনে বাছাই করা খবর
‘লেডিজ স্পেশাল’ সামলাবেন মহিলারাই, নারী দিবসে রেলের ঘোষণা
আগামীকাল আন্তর্জাতিক কর্মজীবী নারী দিবস। মহিলাদের সম্মান জানাতে তাঁদের হাতেই রেলের পরিচালনার ব্যাটন তুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে রেল কর্তৃপক্ষ। আগামীকাল বিভিন্ন শাখার বেশ কয়েকটি লেডিজ স্পেশাল পরিচালনার দায়িত্ব থাকবে রেলের মহিলা কর্মীদের হাতে। চালক থেকে গার্ড ও টিকিট পরীক্ষক, সবাই মহিলা। হাওড়া এবং শিয়ালদহে বুকিং কাউন্টার থেকে বিভিন্ন শাখার দায়িত্বে থাকবেন মহিলারা। পূর্ব রেল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নারী ও পুরুষ, সব কর্মীই রেলের কাছে সমানভাবে গ্রহণীয় এবং দক্ষ কর্মী। তবে শুধুমাত্র এক দিন উদযাপন করে লাভ কী! নারী-পুরুষ সমানাধিকার সেদিনই মান্যতা পাবে, যেদিন একসঙ্গে সমস্ত বিভাগে কাজ করবেন উভয় পক্ষ। লিঙ্গসাম্য জিতে যাবে সেই দিন।

সদ্য মা হওয়া মহিলাদের জন্য আলাদা ঘর থাকছে ভিক্টোরিয়ায়
নারী দিবসের আগে আরেকটি সুখবর। ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল হলে চালু হতে চলেছে ল্যাকটেশন রুম। শহরের আরেক বিখ্যাত সংগ্রহশালা ভারতীয় জাদুঘরে ইতিমধ্যেই এরকম ঘর রয়েছে ২০১৭ সাল থেকে। ভিক্টোরিয়াতেও এই বিশেষ ঘরের বন্দোবস্ত করার দাবি উঠছিল। আগামী ১৩ মার্চ, শুক্রবার, কলকাতা তথা সারা ভারতের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই সংগ্রহশালায় ল্যাকটেশন রুমের উদ্বোধন হতে চলেছে। সদ্য মা হওয়া মহিলারা এখানে বিশ্রাম করতে পারবেন সাময়িকভাবে। স্তন্যপান করাতে পারবেন তাঁর সন্তানকে। ভিক্টোরিয়া কর্তৃপক্ষের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন সবাই।

দূষণ রুখতে নিম গাছকেই হাতিয়ার করছে নিউ টাউন ও কলকাতা
নিম গাছের ভেষজ উপকারিতার কথা সবাই জানেন। ভারতের নানা জায়গায় দূষণ প্রতিরোধে নিম গাছের চারা রোপন করা হয়। এবার, নিউ টাউনেও গড়ে উঠছে নিম গাছের একটি পার্ক। শহরের অ্যাকশন এরিয়া ২-এর প্যাঁচা মোড়ের কাছে ১৪ নম্বর ট্যাংকের পাশে এই উদ্যানের নাম দেওয়া হয়েছে ‘নিম বনানী’। ৫ একর জমিতে উদ্যানটি গড়ে তুলছে নিউ টাউন কলকাতা উন্নয়ন পর্ষদ বা এনকেডিএ। সহযোগিতায় হিডকো এবং রাজ্য সরকারের বন দপ্তর। ইতিমধ্যেই সেখানে পাইলট প্রোজেক্ট হিসেবে ছ’শো নিম চারা রোপন করা হয়েছে। দূষণের বিরুদ্ধে নিম গাছকে কাজে লাগাচ্ছে কলকাতাও। মহানগরের প্রত্যেক ওয়ার্ডের ফাঁকা জায়গায় এবং বিভিন্ন পার্কে নিম গাছ পোঁতার জন্য কলকাতা পুরসভার উদ্যান বিভাগকে নির্দেশ দিয়েছেন মেয়র ফিরহাদ হাকিম।

বসন্তের প্রাক্কালে বাংলা ভাষার সর্ববৃহৎ কবিতা-পার্বণ
এই বসন্তে কবিতা পার্বণ। কবিতার মিছিলে শুধু শ্লোগান শিমুলভাষা – পলাশভাষা। হইহই করে শুরু হল বাংলা ভাষার সর্ববৃহৎ কবিতা–পার্বণ ‘কবিতা উৎসব’। আয়োজনে পশ্চিমবঙ্গ কবিতা আকাদেমি। চতুর্থ বছরের এই কবিতা উৎসবে ৬০০ জনের বেশি কবি, আলোচক এবং বাচিক শিল্পী অংশ নেবেন। চার দিন ধরে ৬টি মঞ্চে একই সঙ্গে চলবে এই কবিতা উৎসব। কবিতা, আবৃত্তি, আলোচনা ছাড়াও উৎসবে পরিবেশিত হবে কবিতার গানও। গগনেন্দ্র শিল্প প্রদর্শশালায় প্রদর্শিত হবে কবিতার লিটল ম্যাগাজিন। প্রাঙ্গণে থাকবে বইয়ের স্টল। রবীন্দ্র সদন, শিশির মঞ্চ, অবনীন্দ্র সভাঘর, বাংলা আকাদেমি সভাগৃহ, চারুকলা পর্ষদ সংলগ্ন প্রাঙ্গণ, একতারা মুক্তমঞ্চে চলবে কবিতা উৎসব।
