
বাংলার এক জলজ উদ্ভিদ আর্সেনিক-সূচক হিসেবে কার্যকর ভূমিকা নেয়
জলে আর্সেনিকের মাত্রা অতিরিক্ত বেড়ে যাওয়া জলদূষণের এক প্রধান কারণ। সারা বাংলা জুড়ে বিভিন্ন অঞ্চলে আর্সেনিক দূষণ এক ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। সম্প্রতি যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল গবেষক এমন এক জলজ উদ্ভিদের সন্ধান পেলেন, যেটি জল থেকে আর্সেনিক শুষে নিলে সেই উদ্ভিদের বিপাকীয় পরিবর্তন ঘটে। যার ফলে সহজেই বোঝা যায়, ওই জলে আর্সেনিক রয়েছে কিনা।
যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কুল অফ এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্সের একটি গবেষণায় উঠে এসেছে, পিস্টিয়া স্ট্যাটিওটিস নামের এক জলজ উদ্ভিদ কচুরিপানা অথবা হাইড্রিলার মতো জল থেকে আর্সেনিক শুষে নিতে পারে। তবে জল থেকে আর্সেনিক শোষণ করার পর এদের শরীরেও আর্সেনিক জমা হয়। পিস্টিয়া পরে গেলে তার শরীরে জমে থাকা আর্সেনিক আবার পরিবেশে ফিরে গিয়ে ক্ষতি করতে পারে। পিস্টিয়ার দেহাংশে গোবর মেশালে এই সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।
বাংলার নানা জায়গায় দেখা যায় পিস্টিয়া। সাধারণভাবে এটিকে ওয়াটার লেটুস বা ওয়াটার ক্যাবেজ বলা হয়। আমাদের এখানে লোকজন এই উদ্ভিদকে ডেকে থাকেন টাকা পানা বা জল কুম্ভি নামে।
