
সীমান্ত এলাকার পর্যটন ব্যবস্থায় বৈচিত্র্য আনার পরিকল্পনাই এই অনুষ্ঠানের লক্ষ্য
ইন্দো-নেপাল ফ্রেন্ডশিপ মিটে ভারত ও নেপালের গ্রামীণ পর্যটনকে আরও আকর্ষণীয় করে তুলতে উদ্যোগ নেওয়া হল। নেপাল লাগোয়া রকমজোতে গ্রামীণ সীমান্তে পর্যটন হাট বসানোর প্রস্তাব জমা পড়ল ওই মিটে। নেপাল সীমান্তের কাছে নকশালবাড়ির জাবরা অঞ্চলের নেপানিয়া গ্রামে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন নেপালের কনসুলেট জেনারেল ই কে নারায়ণ ছাড়াও এসএসবি-র আইজি শ্রীকুমার মুখোপাধ্যায়।
ভারত-নেপাল সীমান্তের নিজস্ব সংস্কৃতি ও শিল্পদ্রব্য বিনিময় প্রথার মাধ্যমে সীমান্ত এলাকার পর্যটন ব্যবস্থায় বৈচিত্র্য আনার পরিকল্পনাই এই অনুষ্ঠানের লক্ষ্য। অ্যাসোসিয়েশন ফর কনজারভেশন অফ ট্যুরিজম আয়োজন করে অনুষ্ঠানটির। সংগঠনটির তরফ থেকে ভ্রমণ গবেষক রাজ বসু জানান, মাসে একবার সীমান্তে পর্যটন হাট বসানোর ইচ্ছা তাঁদের। একই সঙ্গে, কাঁকরভিটা ইমিগ্রেশনের মতো মিরিক সীমান্তের পশুপতিতেও ইমিগ্রেশনের ব্যবস্থা চালু হোক – এই আবেদনও জানিয়েছেন দু’দেশের সরকারের কাছে। ভারতের যেসব গাড়ি পর্যটক নিয়ে পূর্ব নেপা পর্যন্ত যায় সেগুলি যাতে ট্যাক্স ছাড় পায় – আবেদন জানানো হয়েছে এ-বিষয়েও। পশ্চিম সিকিমের উত্তরে যে শেষ গ্রাম রয়েছে, সেখান থেকে নেপাল সীমান্তের চিয়াভঞ্জন পর্যন্ত রাস্তা তৈরির দাবিও উঠে এসেছে আলোচনায়।
এসএসবি-র আইজি শ্রীকুমার মুখোপাধ্যায় জানান, সরকার মাসে একবার হাট বসানোর অনুমতি দিলে তাঁরা নিরাপত্তার যথাযোগ্য ব্যবস্থা নেবেন।
