
প্রচারে দেওয়া হচ্ছে বকদের হত্যা না করার বার্তাও
কথায় বলে, নীলকণ্ঠ পাখি নাকি শিবের দূত। দুর্গা যে কৈলাসে ফিরছেন, সেই খবর মহাদেবকে পৌঁছে দেয় নীলকণ্ঠ পাখি। এহেন বিশ্বাস থেকেই বিসর্জনের দিন নীলকণ্ঠ পাখি ওড়ানোর প্রথা দীর্ঘদিনের। পাখি ওড়াতে গেলে তাকে ধরতেও হয়। আর পাখি ধরার এই প্রবণতাই বিপন্ন করে তুলছে ইন্ডিয়ান রোলার বার্ড বা নীলকণ্ঠ পাখিকে।
বনদপ্তর জানিয়েছে, পুজোর একমাস আগে থেকেই শিকারিরা নীলকণ্ঠ পাখিদের খাঁচাবন্দি করা শুরু করে। এই সময় বেশ কিছু পাখির মৃত্যুও হয়। বন্দি হওয়ার পর খাওয়া-দাওয়াও ছেড়ে দেয় অনেক পাখি। এতে অত্যন্ত দুর্বল হয়ে পড়ে তারা। মুক্তি পাওয়ার পর শহরের কাক বা অন্যান্য বড়ো পাখিরা আক্রমণ করে তাদের। তাছাড়া, শহরে খাবার জোটানোও কঠিন হয়ে পড়ে। সব মিলিয়ে বিপন্ন হয়ে ওঠে এই পাখিদের প্রাণ।
