ফেসবুক, টুইটারে অভিযোগ পেলে সক্রিয় হচ্ছে রেল

সম্প্রতি দুইটি ঘটনায় রেলমন্ত্রকের এমন সক্রিয়তা সামনে এল

সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে এবার চলন্ত ট্রেনে যাত্রীদের সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিতে আরও সক্রিয় হল রেল। বর্তমান দিনে সোশ্যাল মিডিয়ার ভূমিকা সাংঘাতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে। প্রতিনিয়ত সোশ্যাল মিডিয়া যেভাবে জনজীবনের অভ্যাসে পরিণত হচ্ছে তাতে সজাগ হয়েছে রেল। তাই এখন থেকে সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমেও চলন্ত ট্রেনে যাত্রীদের সাহায্য করতে সক্রিয় হয়ে উঠেছে রেলমন্ত্রক। সম্প্রতি দুইটি ঘটনায় রেলমন্ত্রকের এমন সক্রিয়তা সামনে এসেছে।

মঙ্গলবার প্রভাত তিওয়ারি নামে ১২২৯৬ নম্বর সংঘমিত্রা এক্সপ্রেসের এক যাত্রীর কাছ থেকে একটি টুইট পায় রেলমন্ত্রক। যাতে প্রভাত অভিযোগ করেন দানাপুর থেকে ট্রেন ছাড়ার পরই এস ১০ ও এস ১১ নম্বর কামরায় তাঁর ছাত্রীদের শ্লীলতাহানি করা হচ্ছে। কেন্দ্রীয় বিহার স্কুলের ১৫০ জন্য ছাত্রীকে নিয়ে বিজয়ওয়াড়ায় একটি ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে যাচ্ছেন প্রভাত। টুইটারে প্রভাতের অভিযোগ পাওয়ার পরই রেলমন্ত্রক সঙ্গে সঙ্গে সংঘমিত্রা এক্সপ্রেসের রুটের বিজয়ওয়াড়া ডিআরএম-কে সতর্ক করে দেয়। এমনকী বিষয়টিতে অবিলম্বে ব্যবস্থা নিতেও আরপিএফ-এর টুইটার অ্যাটকাউন্টে নির্দেশ দেওয়া হয়। অত্যন্ত দ্রুততার সঙ্গে যাতে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হয় তার জন্যও নির্দেশ দেয় রেলমন্ত্রক। আরপিএফ-ও এরপর টুইটারের মাধ্যমেই বিষয়টি খতিয়ে দেখতে নির্দেশ দেয়।

এই ঘটনা ছাড়াও মঙ্গলবারও আরও একটি ঘটনাতেও সোশ্যাল মিডিয়ায় রেলমন্ত্রকের তৎপরতা ছিল চোখে পড়ার মতো। বিনীত জৈন নামে এক যাত্রী গরবা এক্সপ্রেস থেকেই পরিষেবা নিয়েই রেলমন্ত্রকের টুইটার অ্য়াকাউন্টে অভিযোগ করেন। সঙ্গে সঙ্গে রেলমন্ত্রক থেকে তাঁর কাছে পিএনআর নম্বর চাওয়া হয়। এরপরও বিনীত জৈন নামে ওই যাত্রী অভিযোগ করেন যে সমস্যার কোনও সমাধান হয়নি। এমনকী কোনও ইঞ্জিনিয়ারও বিষয়টি খতিয়ে দেখতে আসেননি। সঙ্গে সঙ্গে মুঘলসরাই-এর ডিআরএম জানিয়ে দেন বিষয়টি যথাযথ বিভাগের কাছে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে এবং অতি দ্রুত সমস্যার সমাধান করা হচ্ছে।

যাত্রী পরিষেবার বেহাল অবস্থা নিয়ে অভিযোগের অন্ত নেই। বিশেষ করে চলন্ত ট্রেনে পরিষেবা নিয়ে কিছু বলার থাকলে প্রায়ই যাত্রীদের নানা অসুবিধার সামনে পড়তে হয়। কিন্তু, সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে যেভাবে রেলমন্ত্রক সক্রিয় হচ্ছে তাতে যাত্রীরা আশার আলো দেখতেই পারেন।

Developed by DXDasia