
বাজারে ১৫০ টন ইলিশ বের হবে সেদিন
জামাইয়ের পাতে ইলিশের বাহারি পদ না থাকলে জামাইষষ্ঠী খুব একটা যুতসই হয় না। তবে এবছর শ্বশুর-শাশুড়ি আর জামাই দু’পক্ষের মুখেই হাসি ফুটিয়ে বাজারে আসতে চলেছে মায়ানমারের বড়ো বড়ো সব ইলিশ। তার সঙ্গে এই রাজ্যের ছোটো ইলিশও পাওয়া যাবে কলকাতার বাজারে।
বাংলাদেশ থেকে পদ্মার ইলিশ পাঠানো বন্ধ হয়েছে অনেক আগেই। বাংলাদেশের মৎসমন্ত্রী নারায়ণচন্দ্র চন্দ ইলিশের ওপর নিষেধাজ্ঞা তুলে নিয়েছেন ঠিকই, তবে এবছরের জামাইষষ্ঠীতে ওপারের ইলিশ আসার সম্ভাবনা প্রায় নেই। যদিও ব্যবসায়ীরা তৈরি ছিলেন আগে থেকেই। রাজ্যের সমুদ্র উপকূল থেকে সংগ্রহ করা গত বছরের প্রচুর ইলিশ হিমঘরে সঞ্চিত করে রাখা হয়েছিল। এবছর জামাইষষ্ঠীতে সেগুলো বাজারে ছাড়া হবে। তার পাশাপাশি রাজ্যে আনা হয়েছে মায়ানমারের বড়ো সাইজের সব ইলিশ। সব মিলিয়ে এদিন মোটামুটি ১৫০ টন ইলিশ পাওয়া যাবে। সব মিলিয়ে এবারের জামাইষষ্ঠী বেশ রসেবসে কাটবে, সেটা বলাই বাহুল্য।
