
গ্রামীণ ঐতিহ্যকে আরও বিপণনযোগ্য করার উদ্যোগ
বাউলদের কোনো নিজস্ব সংগঠন নেই। তাই অনেক সময়েই বাউলশিল্পীরা অনুষ্ঠান করে উপযুক্ত পারিশ্রমিক পান না। লোকশিল্পের অন্যান্য শাখায় প্রায় একই রকম সমস্যার মুখোমুখি হতে হয় শিল্পীদের। এবার মুশকিল আসান করতে পথে নামলেন সারা বিশ্বের একদল মানুষ।
বাংলার গ্রামীণ শিল্প, বিশেষ করে পিংলার পটচিত্র, পুরুলিয়ার ছৌ নাচ ও মুখোশ এবং সারা বাংলার বাউল গানকে আরও বিপণনযোগ্য করতে ব্রিটেনের কভেন্ট্রি বিশ্ববিদ্যালয়, ব্রিটিশ অ্যাকাডেমি এবং কলকাতার বাংলানাটকডটকমের সদস্যরা জেলায় জেলায় ঘুরছেন। ব্রিটেনের মেধাসত্ব বিশেষজ্ঞ শার্লট ওয়েল্ড, হ্যারিয়েট ডিকন, জুন টাবোরফ, ইতালির দিয়েগো রিনালো, বেনেদেত্তা উবেরতাৎজি সামিল হয়েছেন তাতে। অভিনব এই উদ্যোগের নাম দেওয়া হয়েছে ‘হেরিটেজ-সেনসিটিভ ইন্টেলেকচুয়াল প্রপার্টি অ্যান্ড মার্কেটিং স্ট্র্যাটেটিজ’ বা ‘হিপামস’।
লোকশিল্পীদের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি দিতে বেশ কিছু পদক্ষেপ নিচ্ছেন তাঁরা। বাউলদের জন্য ডিজিটাল টুলকিট এবং অভিন্ন ওয়েবসাইট বানানো হয়েছে। সোশাল মিডিয়ার ব্যবহার এবং শিল্পীদের অধিকারের প্রাথমিক ধারণাও দেওয়া হচ্ছে বাংলার লোকশিল্পীদের।
ছবিসূত্র–ফেসবুক
