ঘাস বিক্রি করে লাখপতি রাজারহাটের কৃষকরা

দেশে বিদেশে চাহিদা বাড়ছে ঘাসের

অন্য সব ফসলের চাষ বন্ধ করে ঘাস উৎপাদনে জোর দিচ্ছেন রাজারহাট অঞ্চলের কৃষকরা। চারটি গ্রাম পঞ্চায়েতের কুড়ি-পঁচিশটি গ্রামে চলছে শুধুই ঘাসের চাষ। কারণ, এটি ঝুঁকিহীন, লাভদায়ক। সারা বছর চাষ করা যায় ঘাসের। ঝড়-বৃষ্টির মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগেও ঘাসের সেরকম কোনো ক্ষয়ক্ষতির সম্ভাবনা থাকে না। মেক্সিকান ঘাস, সিলেকশন ঘাস থেকে তৈরি হয় কার্পেট। দেশ-বিদেশে তার চাহিদা। লাভের অংকও ঊর্ধমুখী। সেইসব দামি ঘাস উৎপাদনের দিকেই ঝুঁকছেন রাজারহাটের চাঁদপুর, পাথরঘাটা, রাজারহাট-বিষ্ণুপুর ১ ও ২ গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার চাষিরা।
 

ঘাস উৎপাদনে পাওয়া যাচ্ছে সরকারি সাহায্যও। এক বিঘে জমিতে সিলেকশন ঘাস চাষ করতে ব্যয় হয় দুহাজার টাকার মতো মাটি, পাঁচ হাজার টাকার প্লাস্টিক, ছহাজার টাকার সার আর সাত হাজার টাকার মতো শ্রম, অর্থাৎ সব মিলিয়ে প্রায় কুড়ি হাজার টাকা। আর দুসপ্তাহের মধ্যে সেই ঘাস বিক্রি হয় মোটামুটি পঞ্চাশ হাজার টাকায়। এভাবেই ঘাস উৎপাদন করে কৃষকরা হয়ে যাচ্ছেন লাখপতি। নার্সারির চাষিরা ঘাস দিয়ে কার্পেট তৈরি করেন। ভিন রাজ্যে সেগুলো বিক্রি হয় চড়া দামে। বিভিন্ন কর্পোরেট সংস্থার মধ্যেও সিলেকশন ঘাসের চাহিদা বাড়ছে। 

Developed by DXDasia